বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
স্টাফ রিপোর্টার: বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে কাছে থেকে দেখার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছেন রাজশাহীর নেতাকর্মীরা। দীর্ঘদিন পর প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হন দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা।
রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠ ছিল সারাদিন উৎসবমুখর পরিবেশ। নেতাকর্মীরা দলীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে স্লোগানে স্লোগানে মুখর করে তোলেন এলাকা। তারেক রহমানের আগমন ঘিরে কর্মীদের মধ্যে দেখা যায় ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা। অনেকেই জানান, দলের দুঃসময়ে তারেক রহমানের নেতৃত্ব তাদের নতুন করে অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে।
নেতাকর্মীরা বলেন, “তারেক রহমান দলের জন্য যে ত্যাগ ও সংগ্রাম করছেন, তা আমাদের সাহস দেয়। তাকে কাছে থেকে দেখতে পারা আমাদের জন্য গর্বের।” তারা আরও বলেন, আগামী দিনের রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকার অঙ্গীকার করেছেন তারা।
রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন বলেন,“দীর্ঘ ২২ বছর পর রাজশাহীতে এসেছেন আমাদের নেতা। এত কাছে থেকে উনাকে দেখতে পেয়ে আমরা খুশি। তার এই আগমন রাজশাহীর বিএনপিকে উজ্জবীত করবে।”
তানোর উপজেলা থেকে সমাবেশস্থলে এসেছেন বিএনপি কর্মী রাসেল রহমান। তার কাছে অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন,“দেশনায়ক তারেক রহমানের আগমনে আমরা খুশি। তাকে এত কাছে দেখতে পেয়ে আজকে আমাদের মনের আশা পূরণ হয়েছে। আজকে আমাদের ঈদের দিনের মত খুশি লাগছে।”
রাজশাহী জেলা তাঁতীদলের সভাপতি কুতুব উদ্দিন বাদশা বলেন,“রাজশাহীর আকাশে বাতাসে আজকে খুশির সুবাস। আমাদের নেতা রাজশাহীর মাটিতে এসেছেন। আমাদের জন্য দিকনির্দেশনা দিয়ে গেছেন। তার নির্দেশনায় আগামী দিনের পথ চলবে বিএনপি। নেতা এসেছেন সেজন্য আমরা খুবই খুশি।”
এদিকে, যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছিল সতর্ক অবস্থানে। সমাবেশ ঘিরে নেওয়া হয় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন আয়োজকেরা। নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস আর অংশগ্রহণে রাজশাহীতে তারেক রহমানের উপস্থিতি রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন তারা।