, , ।
স্টাফ রির্পোটার: রুয়েট পরিবারের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও তাঁদের নির্ভরশীল সদস্যদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা আরও শক্তিশালী করতে এবং উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ও স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেডের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপাচার্যের অফিস কক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম আব্দুর রাজ্জাক। রুয়েটের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার আরিফ আহম্মদ চৌধুরী, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. এইচ এম রাসেল এবং চীফ মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মোকসেদ আলী। স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেডের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন মার্কেটিং অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট বিভাগের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. মোহাম্মদ ফাইসাল জামান, একাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট বাবলু কুমার সিংহ এবং বিজনেস অফিসের ভাইস প্রেসিডেন্ট রেজিনা আক্তার।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রুয়েটের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের কম্পট্রোলার নাজিমউদ্দীন আহম্মদ, প্রকৌশল দপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. শাহাদাৎ হোসেন, অর্থ ও হিসাব দপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক শেখ ফয়ছাল আরেফিনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ।
চুক্তির আওতায় রুয়েটের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও তাঁদের নির্ভরশীল সদস্যরা পিতা-মাতা, স্বামী বা স্ত্রী এবং ২১ বছরের কম বয়সী সন্তান স্কয়ার হাসপাতালের আধুনিক, মানসম্মত ও বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা বিশেষ সুবিধায় গ্রহণ করতে পারবেন। রুয়েটের চিকিৎসকের রেফারেন্সের ভিত্তিতে পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে নির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করা যাবে। পাশাপাশি বাইরের নিবন্ধিত কোনো চিকিৎসকের পরামর্শের ভিত্তিতেও, রুয়েট চিকিৎসকের রেফারেন্স সাপেক্ষে, স্কয়ার হাসপাতালের সেবা পাওয়া যাবে।
চিকিৎসা গ্রহণের আগে স্কয়ার হাসপাতালের নির্ধারিত ফর্ম পূরণ করে একটি ইউনিক রেফারেন্স নম্বর সংগ্রহ করতে হবে, যা পরবর্তী সেবা গ্রহণের সময় ব্যবহার করতে হবে। এই চুক্তির ফলে রুয়েট পরিবার স্কয়ার হাসপাতালের বিভিন্ন বিশেষায়িত সেবা সুবিধা নির্দিষ্ট ছাড়ে পাবে, যা তাঁদের চিকিৎসা ব্যয় হ্রাসের পাশাপাশি সেবাপ্রাপ্তির সুযোগও সহজ করবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মনে করছে, এই চুক্তি রুয়েট পরিবারের স্বাস্থ্যসুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাঝে প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং কর্মপরিবেশ আরও সুসংহত হবে।