, , ।
স্টাফ রিপোর্টার, বাগমারা: রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার মাহাবুর রশিদ রেন্টুর নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। ২৬ অক্টোবর রবিবার বিকেল সাড়ে তিনটায় ভুক্তভোগীর পরিবারবর্গ বাগমারা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন।
লিখিত বক্তব্যে খোন্দকার মাহাবুর রশিদ রেন্টুর স্ত্রী সৈয়দা দিলরুবা আফরোজ সুইটি উল্লেখ করেন, স্বৈরাচার ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকার ২০১০ সালে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বাগমারার রাজু হত্যা মামলায় আমার স্বামীকে ফাঁসানো হয়েছে। আমার স্বামী বিএনপির একজন ত্যাগি নিবেদিত নেতা ছিলেন। বিএনপির রাজনীতি ত্যাগ করতে আমার স্বামীকে নানান ভাবে প্রলোভন ও হুমকি দেওয়া হয়েছে। তিনি গোটা ইউনিয়নে বিএনপির একজন জনপ্রিয় নেতা ছিলেন।
আমার শ্বশুর মরহুম খোন্দকার সেকেন্দার আলী বিএনপির রাজনীতি করেছেন এবং গনিপুর ইউনিয়নে সফলতার সাথে টানা পাঁচবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এসব কারণে তৎকালিন আওয়ামী লীগ সরকারের দোসররা কোন ভাবেই আমার শ্বশুর পরিবারের সাথে পেরে ওঠতে না পেরে তারা নানান ষড়যন্ত্র শুরু করে। এরই আংশ হিসাবে তৎকালীন বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক মামলাটি ভিন্নখাতে প্রভাবিত করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে রেন্টুর স্ত্রী সৈয়দা দিলরুবা আফরোজ সুইটি মামলাটি প্রত্যাহারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সদয় দৃষ্টি ও সহানুভুতি কামনা করেছেন।
রেন্টুর স্বজনরা উল্লেখ করেন, একটি সাজানো রাজনৈতিক মামলায় পরিকল্পিত ভাবে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। সে কারণে মামলার রায় পুনঃবিবেচনার জন্য মহামান্য হাইকোর্টে আপিল করেছেন।
সংবাদ সম্মেলন থেকে খোন্দকার মাহাবুর রশিদ রেন্টুর নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করা হয়েছে। এ সময় রেন্টুর দুই কন্যা খোন্দকার জারিন তাসনিম রাহি ও খোন্দকার সাদিয়া তাহমিন মাহি উপস্থিত ছিলেন।