, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: করোনা আবার চোখ রাঙাচ্ছে। পাশের দেশ ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর প্রকোপ বাড়ছে। তাই ইতোমধ্যেই করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তারই অংশ হিসেবে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালও প্রস্তুতি নিয়েছে সম্ভাব্য পরিস্থিতি সামাল দিতে। এখনো (১২ জুন) পর্যন্ত হাসপাতালে কেউ ভর্তি না হলেও হাসপাতালটি পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়েছে ২৫ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ড। গঠন করা হয়েছে চিকিৎসক-নার্সদের বিশেষ দল।
রাজশাহীতে গত ১৫ দিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ জন। যার মধ্যে চিকিৎসক ও মেডিকেল স্টাফ রয়েছে ৯ থেকে ১০ জন। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও কারও হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন হয়নি।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কে বিশ্বাস জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়স্ত্রণে রয়েছে। বিশেষ করে যারা বয়ঙ্ক মানুষ। ভালো থাকতে হলে অবশ্যই সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। বাইরে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং বারবার হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
রামেক সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের দুটি ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে, তাতে বড় ধরনের ঝুঁকি দেখা যাচ্ছে না। তবে পাশের দেশ ভারতে কিছু ভেরিয়েন্ট দেখা দিয়েছে যার জন্য সাবধান থাকা দরকার।
ইতোমধ্যেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তর স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ১১ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেগুলো হলো, জনসমাগম যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন এবং উপস্থিত হতেই হলে সেক্ষেত্রে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করা। শ্বাসতন্ত্রের রোগ সমূহ হতে নিজেকে রক্ষার জন্য মাস্ক ব্যবহার করা। হাঁচি/কাশির সময় বাহু বা টিস্যু দিয়ে নাক মুখ ঢেকে রাখা। ব্যবহৃত টিস্যুটি অবিলম্বে ঢাকনা যুক্ত ময়লা ফেলার ঝুড়িতে ফেলা। ঘনঘন সাবান ও পানি কিংবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলা (অন্তত ২০ সেকেন্ড)। অপরিষ্কার হাতে চোখ, নাক, মুখ ধরবেন না। আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন এবং কমপক্ষে ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখা।
সন্দেহজনক রোাগদের ক্ষেত্রে করণীয়। জ্বর, কাশি এবং শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হলে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত বাড়িতে থাকা। রোাগর নাক-মুখ ঢাকার জন্য মাস্ক ব্যবহার করা। রোগির সেবাদানকারীগনও সতর্কতা হিসেবে মাস্ক ব্যবহার করা। প্রয়োজন হলে নিকটস্থ হাসপাতালে অথবা আইইডিসিআর (০১৪০১-১৯৬২৯৩) অথবা স্বাস্থ্য বাতায়ন (১৬২৬৩) এর নম্বারে যোগাযোগ করা।