বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
স্পোর্টস ডেস্ক: ২০৩০ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৬৪ করার প্রস্তাব দিয়েছে দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনমেবল। ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো ৪৮ দল খেলবে। তবে কনমেবল বলছে, শতবর্ষপূর্তি বিশ্বকাপ আরও বড় পরিসরে আয়োজন করা উচিত।
কনমেবল সভাপতি আলেহান্দ্রো দমিনগেজ এই প্রস্তাব তুলে ধরে বলেন, “আমরা চাই বিশ্বজুড়ে সবাই যেন বিশ্বকাপের আনন্দ উপভোগ করতে পারে। এমন একটা আয়োজন হোক, যেখানে কেউ বাদ না পড়ে। তিনি আরও বলেন, “শত বছর একবারই আসে। আমরা বিশ্বাস করি, ২০৩০ বিশ্বকাপ হবে এক অনন্য উদযাপন। “
২০২৪ সালে ঘোষণা অনুযায়ী, এই বিশ্বকাপ তিন মহাদেশ জুড়ে অনুষ্ঠিত হবে-ইউরোপ, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা। মূল আয়োজক দেশ তিনটি: স্পেন, পর্তুগাল এবং মরক্কো। তবে ইতিহাসের প্রতি সম্মান জানিয়ে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ের মাঠে উদ্বোধনী কয়েকটি ম্যাচ আয়োজন করা হবে। ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপ হয়েছিল উরুগুয়েতে, যেখানে চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল তারা। তাই এবারও তারা একটি ম্যাচ আয়োজনের সুযোগ পাচ্ছে। কনমেবল কংগ্রেসে উপস্থিত থাকা ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, “শতবর্ষপূর্তির এই বিশ্বকাপ হবে ফুটবল ইতিহাসের এক দারুণ মাইলফলক। “
যদি ফিফা এই প্রস্তাব মেনে নেয়, তাহলে ২০৩০ বিশ্বকাপে ম্যাচের সংখ্যা দাঁড়াবে ১২৮টি। তুলনামূলকভাবে, ১৯৯৮ থেকে ২০২২ পর্যন্ত প্রতিটি বিশ্বকাপে ম্যাচ হয়েছিল ৬৪টি। তবে সবাই কিন্তু এই প্রস্তাবকে ভালো চোখে দেখেননি। উয়েফা সভাপতি আলেকজান্ডার সেফেরিন এই প্রস্তাব নিয়ে বলেন, “প্রস্তাবটা শুনে আমি খুব অবাক হয়েছি। এটা আমার দৃষ্টিতে মোটেও ভালো আইডিয়া না। “
সমালোচকদের মতে, এভাবে দল বাড়ালে বাছাইপর্বের গুরুত্ব কমে যাবে এবং বিশ্বকাপের মানও কিছুটা হুমকির মুখে পড়বে। তবে কনমেবল বলছে, বিশ্বকাপকে সত্যিকারের বৈশ্বিক উৎসবে পরিণত করতেই তারা এমন প্রস্তাব দিয়েছে। এখন সিদ্ধান্ত ফিফার—তারা এই প্রস্তাব গ্রহণ করবে কি না, সেটাই দেখার বিষয়।
জিম্বাবুয়েকে ছোট দল ভাবছেন না শান্ত
স্পোর্টস ডেস্ক: আগামী ২০ এপ্রিল থেকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। এর আগে প্রতিপক্ষ নিয়ে কথা বলেছেন অধিনায়ক নাজমুল হাসান শান্ত। অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো জিম্বাবুয়েকেও শক্তিশালী হিসেবেই দেখছেন তিনি। কোনো দলকেই ছোট করতে নারাজ এই ব্যাটার।
মিরপুরে আবাহনী লিমিটেডের অনুশীলনের ফাঁকে তিনি বলেন, ‘কোনো দলই ছোট নয়, আমি বারবারই বলছি। ক্রিকেটাররাও এমন কিছু চিন্তা করছে না। আশা করব, সাধারণ মানুষ বা মিডিয়াও এভাবে দেখছে না যে ছোট দল বা বড় দল। আমরা যেন ভাগাভাগি না করি যে, জিম্বাবুয়ে বা অস্ট্রেলিয়া বা দক্ষিণ আফ্রিকা… প্রতিটি ম্যাচকে যেন একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ হিসেবে চিন্তা করি। ’
বাকি দলগুলোর মতো জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার প্রস্তুতি রাখতে হবে বলে মনে করেন শান্ত, ‘প্রতিটি আন্তর্জাতিক সিরিজেই চ্যালেঞ্জ থাকে। এ সিরিজেও অবশ্যই চ্যালেঞ্জ থাকবে। ভিন্ন কোনো চিন্তা থাকবে না। একটা বড় দলের সঙ্গে খেলার সময় যেই চিন্তাভাবনা বা চাপ থাকে, সেটাই থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কিভাবে আমরা ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়ে ম্যাচটা শুরু করতে পারি। ’
জিম্বাবুয়েকে সমীহ করলেও প্রতিপক্ষকে হারিয়েই টেস্টে উন্নতি করার কথাও জানিয়েছেন শান্ত। বাংলাদেশের অধিনায়ক বলেছেন, ‘যদি গত বছরের টেস্ট ক্রিকেট দেখেন, আগের চেয়ে আমাদের উন্নতি হয়েছে। যতটুকু মনে পড়ে, ৪ (আসলে ৩টি) ম্যাচ জিতেছিলাম। এ বছর আরো ৬টা টেস্ট আছে, গত বছরের চেয়ে আমরা কিভাবে ভালো ফল করতে পারি সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। তাহলেই আমাদের টেস্ট ক্রিকেট এগিয়ে যাবে। ’