, , ।
ওমর ফারুক, আত্রাই: ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ফিরছে আলুর বাজারে। ক্রেতা বেড়েছে। হাটে যে পরিমান আলুর আমদানি হচ্ছে তা বিক্রিও হচ্ছে নির্বিঘ্নে। দামও বেড়েছে খানিকটা। তাই চাষীর কপালে যে চিন্তার ভাঁজ ফুটে উঠেছিল তাও খানিকটা মিলিয়ে আসছে, স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে পারছে তারা অনায়াসে।
নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বান্দাইখাড়া হাট ঘুরে দেখা গেছে, এ হাটে প্রতি সপ্তাহে বিপুল পরিমাণ আলু আমদানি হয়ে থাকে। প্রতি সোমবার ও শুক্রবার এই হাটে ৩ থেকে ৪ হাজার মণ আলু বিভিন্ন এলাকা থেকে আসে, যা স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী এলাকায়ও সরবরাহ করা হয়।
হাটে আসা আলুর দাম নির্ধারণ করা হয় আকৃতি ও মান অনুযায়ী। বড় আকৃতির আলু বিক্রি হচ্ছে মণপ্রতি ৯০০ থেকে ১,০০০ টাকায়, জিরো (কাই) ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং মাঝারি আকৃতির আলুর দাম মণপ্রতি ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, আলুর গুণগত মান ভালো থাকায় ক্রেতাদের চাহিদা বেশি এবং দামও স্থিতিশীল রয়েছে।
বান্দাইখাড়া হাটের আলু ব্যবসায়ী জাকিরুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষকরা এবার ভালো ফলন পেয়েছেন, যা বাজারে সরবরাহ বাড়িয়েছে। এছাড়া আলুর চাহিদা ও সরবরাহ সঠিক পর্যায়ে থাকায় বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে।
আলু ব্যবসায়ী মিলন সাহা বলেন, ‘আলুর উৎপাদন এবার ভালো হয়েছে, তাই কৃষকরা তাদের উৎপাদিত আলু সহজেই বাজারে নিয়ে আসতে পারছেন। এতে বাজারে আলুর সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দামও স্থিতিশীল রয়েছে।’
হাটের ইজারাদার ফকরুল ইসলাম বলেন, ‘বান্দাইখাড়া হাটে নিয়মিত আলু সরবরাহ হওয়ায় আমরা সহজেই সাশ্রয়ী মূল্যে আলু কিনতে পারছি। এই হাটে আলুর সরবরাহ নিয়মিত থাকায় আমরা ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী আলু সরবরাহ করতে পারছি। এতে ক্রেতারা যেমন সন্তুষ্ট, তমনি ব্যবসায়ীরাও লাভবান হচ্ছেন। আগামী দিনগুলোতে আলুর সরবরাহ আরও বাড়বে বলে আমরা আশা করছি, যা দামকে আরও স্থিতিশীল রাখবে।’
এদিকে, আলু ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, আগামী দিনগুলোতে আলুর সরবরাহ আরও বাড়বে এবং দাম আরও স্থিতিশীল হবে। কৃষকরা যদি নিয়মিতভাবে ভালো মানের আলু উৎপাদন করতে পারেন, তাহলে বাজারে আলুর সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকবে এবং দামও স্থিতিশীল থাকবে।