, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অবৈধভাবে খাস জমি ও জলাশয় ভরাট করার প্রতিবাদ ও প্রশাসনের নিকট অভিযোগ করায় হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের মোহরাপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় গোদাাড়ী মডেল থানায় অভিযোগ করেছে হামলার শিকার তরিকুল ইসলাম।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মেহারাপুর মোজায় জেএল-২৩০, আরএস খতিয়ান নং-১, আরএস দাগ-৫৭,৫৮ রকম পকুর পাড় ও পুকুর। এই জমিজমার বিষয়কে কেন্দ্র করে এই এলাকার মৃত হযরত আলীর ছেলে দুরুল হোদা, দুরুল হোদার দুই ছেলে কুদ্দুস আলী ও ফজর আলীমিলে তরিকুল ইসলামের বসতবাড়ীর সামনে চলাচলের জন্য সরকারি পুকুর ও খাস সম্পত্তি আছে। দুরুল হোদা তরিকুলের বাড়ীর সামনে জোর পূর্বক বসতবাড়ী নির্মাণ করে নেয়।
তরিকুল ইসলাম বাধা প্রদান করিলেও তারা বাধা উপেক্ষা করে বিভিন্ন রকম হুমকি ধামকি প্রদান করে জোরপূর্বক ভাবে পাঁকা বসতবাড়ী নির্মান করে নেয়। এতে করে তরিকুল ইসলামের চলাচলের রাস্তা বন্ধ হয়ে যায় এবং চরম অসুবিধা হয়।
অপরদিকে তরিকুল ইসলাম সরকারী পুকুরের পানি ব্যবহার এবং আশেপাশের জমিতে পানি সেচ দিয়ে জমি চাষাবাদ করতো। কিন্তু দুরুর হোদা বসতবাড়ী নির্মান করার পর হতে পুকুরের পানি ব্যবহার করিতে দেয় না।
পরবর্তীতে সেই সরকারী খাস সম্পত্তি হতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য গত ২৩/০৯/২০২০ ইং তারিখে রাজশাহী জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দায়ের করিলে পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে তদন্ত চলতে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে গোদাগাড়ী ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে নায়েবসহ আরোও কর্মচারীবৃন্দ সরেজমিনে গিয়ে তদন্ত করে এবং তদন্ত করে চলে আসার পর দুরুল হোদা ও তার সন্তানরা বিভিন্ন রকম অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ সহ বলে যে, তুই আবার লোক ডেকে এনেছিস তোকে আজকে মেরেই ফেলব বলে হুমকি ধামকি প্রদান করে তরিকুল ইসলামকে এলোপাথারী ভাবে শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাঠি, সোঠা দ্বারা মারধর করে। এতো শরীরের রক্ষঝড়ে ও কালো ছেলা, ফোলা জখম করে। এমনকি প্রাণে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে হাতে হাসুয়া, লোহার রড সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে।
এই ঘটনায় আইনি সহায়তা পাওয়ার জন্য গোদাগাড়ী মডেল থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়।
এবিষেয় দুরুল হোদা বলেন, খাস জমিতে ৪০ বছর হতে বসবাস করছি। আমার নিজের ভাই বারবার প্রশাসনকে অভিযোগ দিয়ে ঘরবাড়ী উচ্ছেদ করার চেষ্টা করছে। তারা এই বাড়ীর ভাগ চাই। না দেওয়ায় একাজ করে যাচ্ছে। আবারও গতকাল লোকজন এসেছিলো তদন্ত করতে। তখন তরিকুল ইসলাম ও তার আত্নীয়স্বজনরা অশ্লীল ভাষায় কতাবার্তা বলে। এক পর্যায়ে তারা মারমুখি হয় আমরাও হই। এতে উভয় পক্ষই মারধরের শিকার হয়েছে বলে তিনি জানান।
এবিষয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি রুহুল আমিন বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।