বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মহানগরীতে জুম্মার নামাজের সময় গুরুত্বপূর্ণ মসজিদগুলোতে ছিল কড়া নিরাপত্তা। নামাজের পর কেউ যেন মিছিল বা সমাবেশ করতে না পারে সে জন্য এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বিপুল সংখ্যক সেনা ও বিজিবি সদস্য ছাড়াও র্যাব ও পুলিশ সদস্যদের পাহাড়ায় মুসল্লিরা নামাজ আদায় করেন।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জামিরুল ইসলাম বলেন, রাজশাহীতে দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল রয়েছে। তিনঘন্টা কারফিউ শিথিল থাকলেও আইন শৃংখলা বাহিনীর টহল ছিল। এছাড়াও নগরীর মসজিদগুলোতে মোতায়েন করা হয় পুলিশসহ আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের।
বিশেষ করে রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট অবস্থিত বড় মসজিদে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ছিল। আর নগরীর রাজারহাতে মসজিদের সামনে অবস্থান নেয় বিজিবি সদস্যরা। ফলে জম্মার নামাজের পর কোন মসজিদ থেকে কেউ মিছিল বা সমাবেশ করতে পারেনি।
এদিকে, রাজশাহী বড় মসজিদে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জুম্মার নামাজ আদায় করেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এর আগে কারফিউ শিথিল হওয়ার পর দুপুর ১২টার দিকেই নেতাকর্মীদের নিয়ে দলীয় কার্যালয় ও পরে সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টে অবস্থান নেন তিনি। নামাজ শেষে আবারও তিনি দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান নেন। বিকেল ৩টা পর্যন্ত তিনি সেখানে নেতাকর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় করেন।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারিদের একাংশ থেকে জুম্মার নামাজের পর গায়েবে জানাজা ও শোক মিছিল বের করার কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়। এই কর্মসূচী কেন্দ্র করে মসজিদে মসজিদে মোতায়েন করা হয় আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের। এছাড়াও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের নেতৃত্বে দলের নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টের বড় মসজিদ এলাকায়।