, , ।
সানশাইন ডেস্ক: আগামী ১ অগাস্ট থেকে শিশুদের বিনামূল্যে টাইফয়েডের টিকা দেবে সরকার। নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় ১৫ থেকে ২৪ মাস বয়সী শিশুরা এই প্রতিষেধক পাবে।
সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) নির্দেশনায় এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধলা হয়েছে। এতে বলা হয়, “ইপিআইয়ের সব স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে এক ডোজ টিকা শিশুর বাম উড়ুর মাংশপেশীর মধ্যভাগের বাইরের অংশে দিতে হবে। একই সেশনে এমআর-২ টিকার সঙ্গে টিসিভি দেওয়া যাবে।”
মাঠকর্মীরা নিজ নিজ ওয়ার্ডের আওতায় টিকা দেওয়া নিশ্চিত করবে বলে নির্দেশনায় লেখা আছে। ডিজিটাল ট্র্যাকিং ও জন্ম নিবন্ধন সহজীকরণের প্রসঙ্গে বলা হয়, মাইক্রোপ্ল্যান প্রস্তুতের লক্ষ্যে মাঠকর্মীরা বাড়ি পরিদর্শনের মাধ্যমে শিশুর সংখ্যা নির্ধারণ করবে। একই সঙ্গে শিশুদের ‘ভ্যাক্সইপিআই’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনের জন্য অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করবে এবং নিবন্ধন সম্পন্ন করে টিকা কার্ড ডাউনলোডের ব্যবস্থা নেবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলেছে, টিকা দেওয়ার পর মাঠকর্মীরা ‘স্মার্ট হেলথ বিডি, ই ট্র্যাকার’ অ্যাপের মাধ্যমে টিকা কার্ড স্ক্যান করে টাইফয়েড টিকার তথ্য হালনাগাদ করবেন। “যেহেতু টিসিভি টিকা অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করে গ্রহণ করতে হবে, তাই উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভায় উদ্দিষ্ট শিশুদের জন্ম নিবন্ধন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজীকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ম্যানুয়াল ইপিআই শিশু কার্ড, নিবন্ধন বই, টালি শিট ইত্যাদিতে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংশোধন করে নিতে হবে।‘’
টিকার ব্যবস্থাপনার বিষয়ে বলা হয়েছে, নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রমে ৫ ডোজ ভায়ালের তরল টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন ব্যবহার করা হব। +২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন সংরক্ষণ ও পরিবহন করতে হবে।
অপচয় কমাতে আংশিক ব্যবহৃত ভ্যাকসিন ভায়ালটি পরের সেশনে ব্যবহার করা যাবে বলেও নির্দেশনায় তুলে ধরা হয়। সামাজিক যোগাযোগ এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম, ধর্মীয় নেতা ও সমাজের লোকজনকে সম্পৃক্ত করার কথা নির্দেশনায় বলা হয়েছে। বাড়ি বাড়ি যোগাযোগ, মাইকিং এবং উঠান বৈঠক কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশনাও দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।