, , ।
স্টাফ রিপোর্টার, বাগমারা: রাজশাহীর বাগমারার ভবানীগঞ্জ পৌরসভায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দুস্থ পরিবারের মধ্যে বরাদ্দ ভিজিএফ চাল বিতরণ নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এবং বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। রোববার দুপুরে ভবানীগঞ্জ পৌরসভার কার্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে পৌরসভার ভিজিএফ তালিকাভুক্তদের মধ্যে চাল বিতরণরে জন্য চার হাজার ৬২৫ জনকে ডাকা হয়। সকালে ভবানীগঞ্জ আলু হাটায় চাল বিতরণ শুরু হয়। বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে কিছু লোক চাল নিতে আসলে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। তাদের দাবি তালিকায় নাম থাকার পরেও চাল দেওয়া হয়নি। অপর অংশের দাবি স্বজনপ্রীতির কারণে তাঁরা বঞ্চিত হয়েছেন।
এক পর্যায়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। আলু হাটায় চাল বিতরণ বন্ধ রেখে পৌরসভার ভেতরে এসে চাল বিতরণ শুরু হয়। সেখানে ভবানীগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি আবদুর রাজ্জাক অবস্থান করছিলেন। এসময় বঞ্চিতদের নিয়ে জামায়াত-শিবিরের কিছু সমর্থক পৌরসভার সামনে বিক্ষোভ মিছিল করে। সেখানে স্থানীয় সংসদ সদস্যে মিডিয়া কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তারা তালিকা তৈরিতে বিএনপিকে দায়ি করে তাদের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় বিএনপির পৌরসভার সভাপতির অনুসারী ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয় এবং উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।
ভবানীগঞ্জ পৌরসভার বিএনপির সভাপতি আবদুর রাজ্জাক হাতাহাতির ঘটনা স্বীকার করে স্বীকার করেন বলেন, ‘চাল বিতরণকালে জামায়াত-শিবির সমর্থক কয়েকজন ভেতরে এসে মব তৈরির চেষ্টা করছিল। পরে তাদের বের করে দেওয়া হয়েছে।’
স্থানীয় সংসদ সদস্য আবদুল বারী সরদারের মিডিয়া কর্মকর্তা আসাদুল্লাহ আল ফিরোজ বলেন, ‘তালিকায় নাম থাকার পরও জামায়াতের লোকজনদের চাল দেওয়া হয়নি। তাদের বের করে দেওয়া হয়েছে। এমন সংবাদ জানার পর পৌরসভার কার্যালয়ে আসলে সেখানে বিএনপির সভাপতি ও তার ছেলেকে প্রভাব বিস্তার করতে দেখা যায়। এসময় প্রতিবাদ করলে তাদের উপর হামলা করা হয়।
ভবানীগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক সাইফুল ইসলাম ভূঞা বলেন, তালিকাভূক্তদের মধ্যে ৩৪ জন চাল পেয়েছিলেন না।
এছাড়াও তালিকাভুক্ত নন, এমন কিছু লোকজন এসে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করেছিলেন। পরে বঞ্চিত ৩৪ জনকে চাল দেওয়া হয়েছে। তবে তালিকাভুক্ত নন অনেক লোক এসে ভীড় করেছিলেন।