সর্বশেষ সংবাদ :

বারিন্দ মেডিকেল স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরী পরিষদ গঠন

স্টাফ রিপোর্টার :

মোহন আলী কে প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মো: লেলিন কে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে রাজশাহীর পদ্মা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত বারিন্দ মেডিকেল স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন এর কার্যকরী পরিষদ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা হল ৪১ জন।

 

 

 

 

 

 

 

 

সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহঃ

১. অংশীদারিত্ব ও সেবার মান উন্নয়নঃ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে একটি কার্যকর অংশীদারিত্ব ও উন্নয়নমূলক সম্পর্ক বজায় রেখে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিষ্ঠানের সেবার মানকে উন্নত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া এবং রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করাই সংগঠনের মূল লক্ষ্য।

২. হাসপাতালের যে কোন সমস্যায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে সমস্যা নিরসনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।

৩. হাসপাতালের জন্য নিজেদের ডিউটির বাইরেও,
সেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করার চেষ্টা করবো এবং হাসপাতালের সুনাম ও উন্নয়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।

৪. বারিন্দ মেডিকেল আমাদের প্রাণের প্রতিষ্ঠান।
আদর্শ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে রূপান্তর করাই সংগঠনের অন্যতম অঙ্গীকার।

৫. কর্মপরিবেশ উন্নয়ন: হাসপাতালের সকল স্তরের কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত, নিরাপদ এবং মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং পেশাগত অধিকার সুরক্ষা করা।

৬. সংগঠনটিন গঠনমূলক ও উন্নয়নমুখী কর্মকাণ্ডে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, রোগী ও তাদের স্বজনসহ বিষয়ে হাসপাতালের সম্মান বৃদ্ধি হয় সেই লক্ষ্য ঠিক রাখতে সর্বোচ্চ সচেষ্ট থাকবে।

​৭. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা (দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান): প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে যেকোনো প্রকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা। দুর্নীতির সাথে জড়িত কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

৮. বহিরাগত প্রভাব মুক্ত পরিবেশ: হাসপাতালকে রাজনীতি মুক্ত বা স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের যেকোনো অন্যায্য আবদার ও হস্তক্ষেপমুক্ত রাখা এবং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে যেকোনো অনৈতিক চাপের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

​৯. চাকিরী -পরবর্তী নিরাপত্তা: চাকরির মেয়াদ শেষে বা অবসর গ্রহণের সময় কর্মীদের জন্য একটি সম্মানজনক আর্থিক সুরক্ষা বা গ্র্যাচুইটি সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নীতিমালা প্রণয়নে সহায়তা করা।

​১০. সমস্যা সমাধান: হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং কর্মচারীদের মধ্যে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি আলোচনার মাধ্যমে নিরসন করা এবং সংগঠনের সদস্যদের যেকোনো যৌক্তিক সংকটে ঐক্যবদ্ধভাবে পাশে থাকা।

​১১. ন্যায্য বেতন ও সুবিধা: দেশের বর্তমান বাজারদর ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বেতন-ভাতা পর্যালোচনার জন্য কর্তৃপক্ষের সাথে নিয়মিত ও গঠনমূলক আলোচনা করা।

১২. কর্মচারীদের জটিল রোগে চিকিৎসা নিশ্চিত দলবদ্ধ ভাবে নিজেরা আর্থিক সহযোগিতা করা ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা কামনা করা।​

সানশাইন /শামি


প্রকাশিত: March 8, 2026 | সময়: 11:43 pm | Daily Sunshine