, , ।
স্পোর্টস ডেস্ক: প্রথম সুপার ওভার ড্র হওয়ার পর দ্বিতীয় সুপার ওভারে গড়ায় ম্যাচ। সেখানেও চলে নাটকীয়তা। শেষ বলে ছক্কা প্রয়োজন ছিল আফগানিস্তানের। কিন্তু বাউন্ডারি পার করতে না পারায় থেমে যায় তাদের লড়াই।
তাতেই রোমাঞ্চকর এক ম্যাচে শেষ হাসি হাসে দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুটি সুপার ওভারে গড়ানো ম্যাচ এবারই প্রথম। আর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয়বার। এর আগে ২০২৪ সালে ভারত-আফগানিস্তান ম্যাচে নির্ধারিত ২০ ওভারে দুই দলই তোলে ২১২ রান করে।
পরে প্রথম সুপার ওভারেও সমতা থাকে, সেখানে উভয় দলই করে ১৬ রান। তবে দ্বিতীয় সুপার ওভারে আফগানিস্তান তোলে ১১ রান, যা সহজেই পেরিয়ে যায় ভারত। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে আজ বিশ্বকাপের ত্রয়োদশ ম্যাচটি নির্ধারিত ২০ ওভারে দুই দল সমতায় শেষ করে। ফলে ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে।
প্রথম সুপার ওভারে আগে ব্যাট করে আফগানিস্তান তোলে কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৭ রান। জবাবে দক্ষিণ আফ্রিকাও করে ১৭ রান, হারায় ১ উইকেট। ওভারটি সমতায় শেষ হলে ম্যাচ গড়ায় দ্বিতীয় সুপার ওভারে। এই ওভারে আগে ব্যাট করে দক্ষিণ আফ্রিকা। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে কোনো উইকেট না হারিয়ে তোলে ২৩ রান।
লক্ষ্যটা কঠিন হলেও আফগানিস্তান লড়াই চালিয়ে যায়। তবে চাপের মুখে উইকেট হারানো তাদের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে দাঁড়ায়। শেষ বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৬ রান। কিন্তু বড় শট খেলতে গিয়ে সফল হতে পারেননি ব্যাটার। তাতেই নিশ্চিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার জয়।
এর আগে ম্যাচের নির্ধারিত ২০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা তোলে ৬ উইকেটে ১৮৭ রান। ওপেনিং জুটিতে দারুণ সূচনা এনে দেন রায়ান রিকেলটন ও কুইন্টন ডি কক। মাত্র ৫২ বলে দুজন মিলে যোগ করেন ১০০ রান। রিকেলটন ২৩ বলে ৫১ রান করেন। ডি কক খেলেন ৩৪ বলে ৫৩ রানের ইনিংস। ১১ ওভারের মধ্যেই দলীয় শতক পার করে প্রোটিয়ারা। তবে মাঝের ওভারে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট নিয়ে ম্যাচে ফেরে আফগানিস্তান।
১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আগ্রাসী শুরু করে আফগানিস্তান। রহমানউল্লাহ গুরবাজ পাওয়ারপ্লেতেই ম্যাচের গতি বদলে দেন। ২৬ বলে ৫৩ রান করে দলকে দ্রুত এগিয়ে নেন তিনি। চার ওভারের মধ্যেই দলীয় পঞ্চাশ ছুঁয়ে ফেলে আফগানিস্তান। মাঝে উইকেট হারালেও রান তোলার গতি ধরে রাখে তারা। ১৭তম ওভারে পৌঁছে যায় ১৫০ রানে। শেষ পর্যন্ত লড়াই গড়ায় সমতায়, এরপর হয় সুপার ওভারের নাটক।