সর্বশেষ সংবাদ :

অবশেষে বিশ্বকাপের অ্যাক্রিডিটেশন পাচ্ছেন বাংলাদেশি সাংবাদিকরা

স্পোর্টস ডেস্ক: আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কাভারের জন্য বাংলাদেশ থেকে আবেদন করা সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল হয়নি। বরং যাচাই-বাছাই শেষে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি সাংবাদিক ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছ থেকে অ্যাক্রিডিটেশন পেয়েছেন।
আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মাঠে বসে কাভার করার জন্য বাংলাদেশ থেকে শতাধিক সাংবাদিক আইসিসির কাছে আবেদন করেন। আবেদন গ্রহণের পর আইসিসির পক্ষ থেকে ধাপে ধাপে সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য ও নথি চাওয়া হয়।
এরপর আইসিসির নির্দেশনা অনুযায়ী অতিরিক্ত তথ্য জমা দেন আবেদনকারীরা। যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর নগর আইসিসি অফিস থেকে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের একটি অংশকে অ্যাক্রিডিটেশন প্রদান করা হয়েছে। অর্থাৎ আবেদনগুলো বাতিল নয়, বরং প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এগোচ্ছে। নিরাপত্তাজনিত কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনার কারণে অ্যাক্রিডিটেশন প্রক্রিয়া নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হলেও বাস্তবে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের বিশ্বকাপ কাভারের সুযোগ বন্ধ হয়নি।
আইসিসি ও বিসিবির মধ্যে যোগাযোগের পর বিষয়টি আরও পরিষ্কার হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। সব মিলিয়ে, যাচাই শেষে পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন দেওয়া হচ্ছে এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকদের উপস্থিতি নিশ্চিত হচ্ছে।
স্পোর্টস ডেস্ক: বাংলাদেশ ক্রিকেটকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে গুঞ্জনের যেন শেষ নেই। ঘটনার চেয়ে গুজবই বেশি ভাসছে চারদিকে। বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের অস্ট্রেলিয়া সফর নিয়ে বিভ্রান্তির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ছড়ায় আরেকটি খবর। আইসিসির এলিট প্যানেলের আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত নাকি আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কট করতে যাচ্ছেন।
শ্রীলঙ্কায় বিশ্বকাপ খেলতে আগ্রহ দেখানোয় নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিয়েছে আইসিসি। এর প্রতিবাদে সৈকত ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বকাপে দায়িত্ব পালন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এমন কথাই ঘুরছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে। তবে এই গুঞ্জনের কোনো ভিত্তি নেই বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন খোদ সৈকত নিজেই। গণমাধ্যমকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, বিশ্বকাপ বয়কটের বিষয়ে তিনি কোথাও কোনো মন্তব্য করেননি।
সৈকতের ভাষ্য, ‘সারা দিন ধরে দেখছি, এখানে-ওখানে বলা হচ্ছে আমি নাকি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কট করছি। বিষয়টি পুরোপুরি মিথ্যা। আমি আইসিসির এলিট প্যানেলের একজন আম্পায়ার এবং কয়েক দিনের মধ্যেই সেই দায়িত্ব পালনের জন্য বিশ্বকাপ কাভার করতে যাচ্ছি।’ তিনি জানান, বিশ্বকাপে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি হুট করে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়।
বরং কয়েক মাস আগেই আইসিসির নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চূড়ান্ত হয়েছে তার অ্যাসাইনমেন্ট। ফলে এখন সেখান থেকে সরে দাঁড়ানোর সুযোগও নেই। বাংলাদেশ দলের না থাকা নিয়ে আক্ষেপ থাকলেও পেশাগত দায়িত্বই তার কাছে মুখ্য এ কথাও স্পষ্ট করেন সৈকত। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয় দল বিশ্বকাপে নেই এটা একজন বাংলাদেশি হিসেবে অবশ্যই কষ্টের। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমি এখানে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে নই, আমি আইসিসির আম্পায়ার।
আইসিসির নিয়ম মেনেই আমাকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’ সবশেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সৈকত বলেন, এসব খবরের কোনো সত্যতা নেই এবং তিনি নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বিশ্বকাপে আম্পায়ারিং করতেই যাচ্ছেন।


প্রকাশিত: January 28, 2026 | সময়: 4:28 am | সুমন শেখ