সর্বশেষ সংবাদ :

বিদ্রোহী কবি নজরুলের পাশে হবেন সমাহিত : হাদির মৃত্যুতে দেশ উত্তাল

সানশাইন ডেস্ক: বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাইযোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদি। আজ দাফনের আগে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বাদ জোহর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
শুক্রবার ইনকিলাব মঞ্চ স্ট্যাটাসে জানায়, শহীদ ওসমান হাদিকে বহনকারী গাড়ি বিমানবন্দর থেকে হিমাগারে রাখা হয়েছে। পরিবারের অনুরোধের ভিত্তিতে শহীদ ওসমান হাদীকে কবি নজরুল এর পাশে সমাহিত করার এবং মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বাদ জোহর জানাজার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার প্রেক্ষিতে গতকালের পরিবর্তে আগামীকাল মিছিলসহ সেন্ট্রাল মসজিদে আনা হবে বলে জানানো হয়। ছাত্রজনতা আজ শৃঙ্খলার সঙ্গে আন্দোলন জারি রাখার আহ্বান জানায় ইনকিলাব মঞ্চ। স্ট্যাটাসে বলা হয়, যেন কোনো গোষ্ঠী অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে আন্দোলন স্তিমিত করতে না পারে। একইসঙ্গে সহিংসতার সুযোগ ও না পায়। লাশ দেখার কোনো সুযোগ থাকবে না।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ বেলা দুইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শহিদ ওসমান হাদির নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে নামাজে জানাজা বেলা আড়াইটায় অনুষ্ঠিত হবার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। শহিদ ওসমান হাদির নামাজে জানাজায় যারা অংশ নিতে আসবেন তারা কোনো প্রকার ব্যাগ বা ভারী বস্তু বহন না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সংসদ ভবন ও এর আশপাশের এলাকায় ড্রোন উড়ানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
এদিকে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান শরিফ হাদির মৃত্যুতে আজ শনিবার (২০ ডিসেম্বর) একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ ঘোষণা করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ওইদিন সকল সরকারি, আধা সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিদেশে দূতাবাসে পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। শুক্রবার দেশের মসজিদ, মন্দিরসহ সব উপাসনালয়ে হাদির জন্য প্রার্থনা করা হয়। সবাই আপনারা শরিক হবেন। ওসমান হাদির সন্তান ও স্ত্রীর দায়িত্ব সরকার নেবে জানিয়ে তিনি বলেন, হাদির হত্যাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। এই বিষয়ে কোনও ধরনের শিথিলতা দেখানো হবে না বলেও জানান তিনি।
এর আগে, গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টা দিকে মারা যান ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি। এমন প্রেক্ষাপটের মধ্যেই প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন। জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রচারের সময় গত ২০ ডিসেম্বর দুপুরে গুলিবিদ্ধ হন শরিফ ওসমান হাদি। গুলি মাথা ভেদ করে যাওয়ায় গুরুতর আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, পরে এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিউতে নেওয়া হয়। তিনদিন পর সোমবার দুপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।সেখানে গত কয়েকদিন চিকিৎসা চললেও ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থার আর উন্নতি হয়নি। বৃহস্পতিবার রাতে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
ওসমান হাদির ওপর গুলিবর্ষণকারী হিসেবে ফয়সাল করিম মাসুদ নামে একজনকে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তার সহযোগী আলমগীর শেখ মোটরসাইকেলের চালক ছিলেন। এই দুজন অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে।

ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৪ জনকে আটক ও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও র‌্যাব। তাদের মধ্যে ফয়সালের বাবা মো. হুমায়ুন কবির (৭০) ও মা মোসা. হাসি বেগম (৬০), স্ত্রী সাহেদা পারভিন সামিয়া ও শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু রয়েছেন।
এ ছাড়া গ্রেপ্তার হওয়া অন্যরা হলেন মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, মো. কবির, আব্দুল হান্নান, মো. হিরন, মো. রাজ্জাক, ফয়সালের বান্ধবী মারিয়া আক্তার এবং হালুয়াঘাট সীমান্তে মানব পাচারকারী হিসেবে পরিচিত সিমিরন দিও ও সঞ্জয় চিসিম।
উল্লেখ্য, গুলিবিদ্ধ হওয়ার এক মাস আগেই হত্যার হুমকি পাওয়ার কথা প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন ওসমান হাদি। গত নভেম্বরে ফেসবুক দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছিলেন, দেশি-বিদেশি অন্তত ৩০টি নম্বর থেকে তাকে ফোন ও মেসেজ পাঠিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। পোস্টে তিনি আরও লেখেন, আওয়ামী লীগের ‘খুনি’ সমর্থকেরা তাকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখছে। তবে জীবননাশের আশঙ্কা সত্ত্বেও ‘ইনসাফের লড়াই’ থেকে পিছিয়ে যাবেন না।
অপরদিকে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং ঢাকা-৮ আসনের সতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ওসমান হাদির হত্যার বিচার ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সারাদেশের ন্যায় উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় বিক্ষোভ করেছে ছাত্র-জনতা। শুক্রবার বিভিন্ন বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়ে সানশাইন প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:
নওগাঁ: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং ঢাকা-৮ আসনের সতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ওসমান হাদির হত্যার বিচার ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে নওগাঁয় কফিন মিছিল করেছে ছাত্র জনতা।
শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে দুপুর দুইটার দিকে মুক্তির মোড় কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে একটি কফিন মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে শহরের কেডির মোড় এলাকায় পুলিশ সুপারের বাসভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে পুলিশ সুপারের বাসভবনের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপি বিক্ষোভ করেন তারা।
এ সময় তারা আওয়ামী লীগ এবং তার অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের জন্য ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেন। নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম এসে তাদেরকে আশ্বস্ত করলে তারা সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে সন্ধ্যায় মশাল মিছিলের ঘোষণা দিয়ে তার বাসভবনের সামনে থেকে চলে যান।
এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নওগাঁয় নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থী আরমান হোসেন, তানজিম বিন বারী, ফজলে রাব্বি, সাদনান সাকিব, জামায়াতে ইসলামী নওগাঁ সদর উপজেলা শাখার আমির এডভোকেট আব্দুর রহিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নওগাঁ জেলা শাখার সভাপতি মাস্টার মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম, ইসলামী ছাত্র শিবির নওগাঁ জেলা শাখার সভাপতি আব্দুর রাকিব, এনসিপির নওগাঁ জেলা শাখার যুগ্ম-আহ্বায়ক দেওয়ান মাহবুব আল হাসান সোহাগ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, ওসমান হাদি চলে গেছে কিন্তু এই বাংলাদেশে এখন লক্ষ্য ওসমান হাদি তৈরি হবে। ৫ আগস্টের পর আমরা অনেক সুশীলতা দেখিয়েছে নওগাঁর মাটিতে এখন থেকে আর কোনো সুশীলতা প্রশাসনকে দেখানো হবে না। আমাদের ভাইয়েরা গুলি খেয়ে রাস্তায় মরে আর এসপি এসি রুমের মধ্যে থেকে বলে আমরা কোন ব্যবস্থা নিতে পারব না। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নওগাঁর সকল আওয়ামী সন্ত্রাসীদেরকে গ্রেপ্তার করতে হবে। যদি গ্রেপ্তার না করা হয় তাহলে এসপি আর এই বাসভবনে থাকতে পারবে না। তাকে আর এসপি অফিসের চেয়ারে বসতে দেওয়া হবে না। এসপি হয়তো বলবে আমি নতুন এসেছি, কিন্তু আমরা বলে দিতে চাই আপনার ওই চেয়ার নতুন না, আমার ভাইয়ের রক্ত নতুন না। কাজে কাজ করার সময় বুঝে শুনে করবেন। নয়তো পরিনতি ভালো হবে না।
নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, আমরা ফ্যাসিস্টের দোসরদের গ্রেপ্তারের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। গত ৩ দিনে ২৩ জন ফ্যাসিস্টের দোসরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সারা নওগাঁ জেলা ব্যাপি আমাদের অপারেশন ডেভিল হ্যান্ট পরিচালিত হচ্ছে। খুব দ্রুতই সকল ফ্যাসিস্টের দোসরদেরকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
বড়াইগ্রাম: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদির খুনীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে নাটোরের বড়াইগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে পৃথক পৃথক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বিকালে বড়াইগ্রাম পৌর জামায়াতের উদ্যোগে লক্ষ্মীকোল বাজারে বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর মাওলানা আবুল হোসাইন, সেক্রেটারী আবু বকর সিদ্দিক, সহকারি সেক্রেটারী হাসানুল বান্না উজ্জল, পৌর আমীর আলমাস হোসেন ও উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আশিকুজ্জামান আকাশ বক্তব্য রাখেন।
এর আগে উপজেলা নায়েবে আমীর সিরাজুল ইসলাম কোরবান ও পৌর আমীর মীর মহিউদ্দিনের নেতৃত্বে বনপাড়া বাজারে এবং নগর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা হাসিনুর রহমানের নেতৃত্বে ধানাইদহ বাজারে পৃথক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
টাঙ্গাইল: ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে ও এর সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবীতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-জয়দেবপুর-জামালপুর মহাসড়কের টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী বাসস্ট্যান্ডে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে।
শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে ধনবাড়ী বাসস্ট্যান্ডে ‘শরীফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচার, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও লীগ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করে। বিক্ষোভ মিছিল শেষে ধনবাড়ী বাস্ট্যান্ডে সড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে বিক্ষোভকারীরা।
তারা স্লোগানে বলেন, ‘আমি কে তুমি কে, হাদি, হাদি,’ ‘আমার সোনার বাংলায় খুনি লীগের ঠাঁই নাই’, ‘ফ্যাসিবাদের ঠিকনা এই বাংলায় হবে না,’ ‘আমরা সবাই হাদি হবো যুগে যুগে লড়ে যাবো’।
বিক্ষোভ মিছিলে বক্তব্য রাখেন, এনসিপি’র টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনের এমপি প্রার্থী জুলাই আন্দোলনে শহীদ সাজিদের ভাই সাইদুল ইসলাম আপন, এনসিপি’র টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবীর মানিক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার প্রচার ও দওয়া বিষয়ক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যুব বিভাগের ধনবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি মিনহাজ উদ্দিন, গণ অধিকার পরিষদ ধনবাড়ীর সভাপতি শামছুল হক ও টাঙ্গাইল জেলা যুব অধিকার পরিষদের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সাকিব শাকিলসহ অন্যরা।
বক্তারা আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে হাদির হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারসহ দ্রুত বিচার কার্যকর না করা হয় তাহলে আগামী দিনে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচীর ঘোষণা দেন।
পুঠিয়া: রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বরে ইনকিলাব মঞ্চের সভাপতি শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যু ও তার ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বাদ জুম্মা বেলা ২টা ১০ মিনিটে বানেশ্বর ট্রাফিক মোড়ে বানেশ্বর কলেজের বর্তমান ও সাবেক ছাত্রনেতাদের উদ্যোগে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন বানেশ্বর কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের আয়ান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা এনসিপি নেতা নাহিদুল ইসলাম সাজু, বিজয় আহমেদসহ এনসিপি’র অন্যান্য নেতাকর্মীরা। মিছিলটি ট্রাফিক মোড় থেকে শুরু হয়ে পিয়াজহাটা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মোড়ে এসে শেষ হয়।
বক্তারা বলেন, ‘শরিফ ওসমানের মৃত্যু কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয়। দায়ীদের শাস্তি না হলে আন্দোলন চলবে।’
প্রোগ্রামটি শান্তিপূর্ণভাবে বেলা ২টা ৩৫ মিনিটে শেষ হয় এবং মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল।


প্রকাশিত: December 20, 2025 | সময়: 1:29 am | সুমন শেখ

আরও খবর