, , ।
স্টাফ রিপোর্টার, জয়পুরহাট: প্রচন্ড শীতে কাঁপছে দেশের উত্তর জনপদের কয়েকটি জেলার মানুষ। গত কয়েকদিন ধরেই এসব জেলায় প্রচন্ড শীত পড়লেও দেখা নেই সরকারি ভাবে শীতবস্ত্র বিতরণের। শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় উত্তরের জেলা দিনাজপুরে ১৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মৌসুমের শুরুতেই এমন তাপমাত্রা নেমে আসায় শীতের দাপট বাড়তে শুরু করেছে গোটা উত্তরাঞ্চলে। এছাড়াও শুক্রবার দেশের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় ১৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শুক্রবার ২১ নভেম্বর সকাল ১১টায় দিনাজপুর জেলা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ তোফাজ্জল হোসেন জানান, ভোর ও রাতের দিকে প্রচন্ড ঘন কুয়াশা এবং উত্তর দিক থেকে বইতে থাকা শীতল হিমেল বাতাসের প্রভাবে তাপমাত্রা দ্রুত নীচে নামছে। তিনি আরও বলেন, এটি মৌসুমের স্বাভাবিক প্রবণতা হলেও চলতি সপ্তাহে তাপমাত্রা আরও ১ থেকে ২ ডিগ্রি কমতে পারে। ফলে শীতের অনুভূতি আরও বাড়বে।
শীতের এ হঠাৎ আগমনী বার্তায় দিনাজপুর ও তেতুলিয়া সহ সমগ্র উত্তরাঞ্চলে সকালে সাধারণ মানুষকে কাঁথা, কম্বল জড়িয়ে চলাফেরা করতে দেখা গেছে। বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুদের কষ্ট বেড়েছে। স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের ভোরে বেড় হতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এছাড়াও উত্তরাঞ্চলে মৃদু শৈত্য প্রবাহ শুরু হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে দিনের বেলায় রোদ থাকায় সামান্য স্বস্তি পাওয়া যাচ্ছে।
বিশেষ করে দিনাজপুর, রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, ঠাকুরগাঁ সহ গোটা উত্তরাঞ্চলে ইতোমধ্যেই দেখা দিয়েছে প্রচন্ড শীত। এসব জেলায় সকাল ১০ টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশা থাকছে এবং বিকেল ৪টা থেকেই আবারো নামছে কুয়াশা। দিনের বেলায় গরমে কিছুটা স্বস্তি মিললেও রাতের বেলা প্রচন্ড শীত পড়ছে। প্রচন্ড ঘন কুয়াশার কারণে রাতের বেলা যানবাহনে দুর্ঘটনা বাড়ছে।
শীতে উত্তরবঙ্গের জনজীবনে জমে উঠেছে শীতের প্রস্তুতি, বাজারে বেড়েছে কম্বল, উলের পোশাক ও শীতবস্ত্র কেনার ধুম। তবে এসব কোন জেলাতেই এখনও সরকারি ভাবে কোন প্রকার শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু হয়নি।