, , ।
সানশাইন ডেস্ক: নির্বাচন নিয়ে যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদের ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম।
তিনি বলেছেন, “সারাদেশে এখন নির্বাচনী আমেজ বইছে, এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া কেউ থামাতে পারবে না। নির্বাচন নিয়ে যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তারা ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর। তারা ফ্যাসিস্ট সরকারের নানাভাবে সুবিধাভোগী।” শুক্রবার সকালে নেত্রকোণা সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে জেলার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মোহাম্মদ শফিকুল আলম বলেন, “সবাই এখন ইলেকশনের জন্যে অধীর আগ্রহে আছেন, অনেকেই ক্যাম্পেইন করছেন, অনেকেই ঢাকা থেকে এলাকায় চলে গেছেন, গ্রামে চলে গেছেন। প্রচার-প্রচারণা করছেন। আমরাতো সবাইকে দেখছি। “পুরো জাতি এখন নির্বাচনের জন্যে অধীর আগ্রহে আছেন। এমন কোনো জায়গা নেই যে সেখানে ক্যাম্পেইনিং হচ্ছে না। সব জায়গায় হচ্ছে। নেত্রকোণা, নোয়াখালী, মাগুরায় দেখেছি; সব জায়গায় দেখেছি। পোস্টারে, ব্যানারে ছেয়ে গেছে।”
তিনি আরও বলেন, “সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের মতামতকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি নিশ্চিত করতেই প্রধান উপদেষ্টার সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।”
গণমাধ্যমকে ‘রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ’ হিসাবে উল্লেখ করে মোহাম্মদ শফিকুল আলম আরও বলেন, “সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গণমাধ্যম আমাদের অন্যতম সহযোগী শক্তি। জনগণের কাছে সরকারের কার্যক্রমের সঠিক ও ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিতে গণমাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সরকারের সঙ্গে গণমাধ্যমের পারস্পরিক আস্থা ও বোঝাপড়া আরও দৃঢ় করতে হবে।” জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে সভায় সংবাদকর্মীরা স্থানীয় সমস্যা, সম্ভাবনা ও পেশাগত চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন এবং পেশার মানোন্নয়ন নিয়ে মতামত তুলে ধরেন।
এদিকে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নিয়োগ বিধিমালা ২০২৩ এর সব টেকনিক্যাল পদসমূহে অন্তর্ভুক্ত করে নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন ও দ্রুত নিয়োগের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার সকালে নেত্রকোণা সার্কিট হাউজে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলমের কাছে এই স্মারকলিপি দেন ইনস্টিটিউট অব লাইভস্টক সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (আইএলএসটি), নেত্রকোণার শিক্ষার্থীরা।
সেখানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ্ আল মাহমুদ জামান, পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান বলেন, “আইএলএসটি শিক্ষার্থীরা চার বছর মেয়াদী শিক্ষা ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে কর্মদক্ষতা অর্জন করছে। তবে অত্যন্ত দুঃখজনক যে, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নিয়োগ বিধিমালা ২০২৩ ডিপ্লোমা ইন লাইফ স্টক ডিগ্রিধারীদের জন্য কোনো নিয়োগের সুযোগ রাখা হয়নি। বর্তমানে দুইটি প্রাথমিক প্রতিষ্ঠান থেকে উত্তীর্ণ সাতটি ব্যাচের ডিপ্লোমাধারী শিক্ষার্থীরা বেকার অবস্থায় রয়েছে। ”স্মারকলিপি গ্রহণ করে প্রেসসচিব শফিকুল আলম শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য বলেন, “দাবিনামার স্মারকলিপি নিয়ে গেলাম। ঢাকায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপিটি পৌঁছে দেব।”