, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর পবায় বড়গাছী কুঠিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ভূয়া প্রতিষ্ঠাতা সদস্যকে অপসারণ দাবিতে প্রশাসনে আবেদন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে এই আবেদন করা করেন শিক্ষার্থী অভিভাবক ও এলাকাবাসী।
আবেদন থেকে জানা যায় বড়গাছী কুঠিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অনুদান ছাড়াই প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হয়ে যান আব্দুল খালেক। যা নিয়ম বহির্ভুত ভাবে হয়েছেন। ক্ষমতার অপব্যবহার করে এমন কাজ করেছেন প্রতিষ্ঠানের এ্যাডহক কমিটির সভাপতি খালিদ হোসেন সোহান। তিনি আব্দুল খালেকের ছেলে।
এ নিয়ে বেশ কিছুদিন থেকে অত্র প্রতিষ্ঠান ও এলাকায় সমালোচনা ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের নামফলকে ভূয়া প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল খালেকের নাম তুলে ফেলেন। এ সময় সভাপতি ও তার দলবল এসে তাদের উপরে চাড়াও হন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এতে শিক্ষার্থীরা ভীত সন্ত্রন্ত হয়ে পড়েছে। এসব ঘটনার প্রতিবেদন দৈনিক সানশাইন ও দৈনিক বার্তা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। উপজেলা ম্যাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের পরিপত্রের আলোকে বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের তফশীল ঘোষণা করা হয়েছে। পরিপত্রে মনোনয়ন ফরম ক্রয় বাবদ তিন হাজার টাকা উল্লেখ না থাকা সত্ত্বেও সভাপতি একক ও মনগড়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এছাড়াও ভূয়া প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল খালেক ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াতে সাক্ষাতকালে প্রকৃত প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও দাতা সদস্যদের চাঁদাবাজ বলে উল্লেখ করেন। যা প্রকৃত দাতা সদস্যদের মানহানি হয়েছে। উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে এবং শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নের আশঙ্কা রয়েছে। বিদ্যালয়ে ভূয়া প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল খালেক ও এ্যাডহক কমিটির সভাপতি খালিদ হোসেন সোহানকে অপসারণ করে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়ন ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের দৃস্টি আকর্ষণ করেছেন।