, , ।
নুরুজ্জামান,বাঘা :
“চোরের দশ দিন তো গৃহস্থের একদিন” এই প্রবাদ বাক্যটির অর্থ হলো, অপকর্ম বা অসৎ কাজের মাধ্যমে চোর হয়তো অনেক দিন ধরে চুরির মাধ্যমে নিজেকে লাভবান করতে পারে ! কিন্তু একদিন না একদিন সে ধরা পড়বেই এবং ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই প্রবাদের মাধ্যমে বোঝানো হয়, যে কোনো খারাপ কাজ বা চুরি করে মানুষ বেশি দিন পার পাই না। যার বাস্তবতা মিলেছে, রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মার চরাঞ্চলে দু’টি বাজারে এক রাতে পাঁচ দোকান চুরির ঘটনায় আটককৃত চারজন চোরের মুখ থেকে।
পুলিশ এবং স্থানীয়দের দেয়া তথ্য মতে, গত ১৫ জুলাই সোমবার রাতে উপজেলার পদ্মার চরাঞ্চলের পলাশী ফতেপুর ও নতুন বাজারে একই রাতে পাঁচটি দোকানে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় দশ লক্ষ টাকার মালামাল চুরি হয়। তবে পুলিশ শেষ পর্যন্ত চারজন চোরকে আটক করেই ছাড়লো। তাও আবার নিজ উপজেলা নয়, সু-দুর কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার চিলমারি ইউনিয়নের বাংলা বাজার থেকে। এ ঘটনায় পুলিশের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাঘার চরাঞ্চলবাসী।
বাঘা থানা পুলিশের একজন মুখপাত্র জানান, দুটি বাজারে চুরির পর থেকে পুলিশ ঘটনার সাথে সম্পৃক্তদের আটক কারার চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। সর্বশেষ গতকাল সোমবার(১৪ সেপ্টেম্বর)ভোর রাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে সেই চেষ্টা সফল হয়েছে। চোরাই মালামাল সহ মোঃ বিপ্লব খালাসি (৪০), পিতা মোঃ রহিম খালাসী, মোঃ ওসমান আলী(২৪), পিতা আক্তার মহব্বত, মোঃ মামুন হোসেন (২২), পিতা মোঃ সোলেমান হাওলাদার, ও মোঃ সুমন, পিতা- আক্তার, সর্বসাং- চিলমারী (চর চিলমারি,বাংলা বাজার) এলাকা থেকে আটক করতে সক্ষম হন।
অপর দিকে বাঘা থানার অন্তরগত ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামি মোছাঃ রুবিনা বেগম, মোঃ গোলাম হোসেন ও মো: আব্দুস সামাদ গণকে অদ্য তারিক পুলিশের অপর একটি দল বিশেষ অভিযান চালিয়ে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।
বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আ.ফ.ম আসাদুজ্জামান, জানান, চুরির সাথে সম্পৃক্ত আসামীদের কাছ থেকে চুরি হওয়া মালামাল-সহ একটি দ্রুতগামী ঈঞ্জিন চালিত কাঠের নৌকা জব্ধ করা হয়েছে। এবং পৃথক মামলায় আটককৃত সাতজন ধৃত আসামীকে দুপুরে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সানশাইন /শামি