, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী কালেক্টরেট ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের লাইব্রেরীর মিনি সম্মেলন কক্ষে ভোটগ্রহণ চলবে। এ নির্বাচনে ১৭টি পদে মোট ৪৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ১৯৬ জন ভোটার।
এ নির্বাচন উপলক্ষে ইতোমধ্যে কালেক্টরেট ক্লাব প্রাঙ্গণে ব্যানার, পোস্টার ও লিফলেট দিয়ে সাজানো হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা প্রতীকভিত্তিক প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রার্থীদের প্রচারণায় উঠে আসছে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও। প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে রয়েছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস। ভোটাররাও সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা করছেন।
কালেক্টরেট ক্লাবের সদস্যরা জানান, নির্বাচন ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই প্রাণবন্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। অনেকের মতে, এ নির্বাচন শুধু নেতৃত্ব বাছাই নয়, বরং ক্লাবের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করার একটি বড় সুযোগ।
ক্লাবের প্রধান নির্বাচন কমিশনার আব্দুল আজিজ জানিয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে পর্যাপ্ত সংখ্যক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও নিয়োগ দেওয়া হবে। এই নির্বাচনে সভাপতি পদে চারজন, সহ-সভাপতি পদে পাঁচজন, সাধারণ সম্পাদক পদে চারজন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে তিনজন, কোষাধ্যক্ষ পদে দুইজন, নাট্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে চারজন, ক্রীড়া সম্পাদক পদে পাঁচজন, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দুইজন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে দুইজন, সদস্য পদে ১৩ জন প্রার্থীসহ মোট ১৭টি পদে ৪৪ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
সভাপতি পদে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন- মিজানুর রহমান (মোরগ), তাপস কুমার (গরুর গাড়ি), আজিমুদ্দিন (চেয়ার) ও নেয়ামুল কবির (চাকা)।
সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চারজন- আলমাস হোসেন (চাবি), সালমান হোসেন (মোটরসাইকেল), দেলোয়ার হোসেন (তাঁরা) ও খালেদ মোশারফ (বই)। সহ-সভাপতি পদে আছেন পাঁচজন প্রার্থী। তাঁরা হলেন- মো. শাহ আলম (আনারস), জামাল উদ্দীন শিকদার (হরিণ), অনিল কুমার শর্মা (কলমদানি), এসএম জাকারিয়া (প্রজাপতি) ও রফিকুল ইসলাম রবি (দেওয়ালঘড়ি)। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন- মনোয়ার হোসেন (মোমবাতি), মো. উল্লাহ (তালা) ও মিফতাহুল ইসলাম সবুজ (চশমা)। কোষাধ্যক্ষ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুইজন— সাকিবুল ইসলাম (মোবাইল) ও দিলীপ কুমার মজুমদার (দোয়াত-কলম)। নাট্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে আছেন চারজন- সুনুজ্জামান (হারমোনিয়াম), খাদেমুল বাসার সজল (টিউবওয়েল), সাখওয়াত হোসেন (কাপ-পিরিচ) ও কিরণ চন্দ্র ফরাস (তবলা)। ক্রীড়া সম্পাদক পদে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন- রিপন চন্দ্র দাস (ফুটবল), তোফাজ্জল হোসেন (ক্যারাম বোর্ড), আব্দুর রোহান (ঘোড়া), তপন কুমার দাস (হাতি) ও সুরুজ জামান (লাটিম)। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দুইজন- মুসাব্বির হোসেন (পাওয়ার টিলার) ও মো. সালাউদ্দিন (বাইসাইকেল)। মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেবুন নেসা (কলস) ও শহিদা আক্তার (সেলাই মেশিন)। এ ছাড়া সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৩ জন প্রার্থী। তাঁরা হলেন- মতিউর রহমান (ছাতা), আহসান হাবিব (মই), মাসুদুর রহমান (সিলিং ফ্যান), রিপন হোসেন (সূর্যমুখী ফুল), আশরাফুল ইসলাম (মুকুট), সাইফুল ইসলাম সনেট (কম্পিউটার), রাকিবুল ইসলাম (ঘুড়ি), আল-আমিন (বৈদ্যুতিক বাল্ব), রাজু সরকার (জগ), জাকির হোসেন শাকিল (ফুলদানি), সুমন সরকার (রিকশা), নজরুল ইসলাম (হাঁস) ও আতাউর রহমান (মাইক)।