, , ।
স্টাফ রির্পোটার: গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যা ও আরেক সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজশাহীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে নগরীর রেলগেট চত্বরে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের উদ্যোগে একটি মানববন্ধন হয়। এতে রাজশাহী বিভাগীয় প্রেসক্লাব, রাজশাহী অনলাইন সাংবাদিক ফোরাম, বাংলাদেশ সাংবাদিক সংস্থা ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার ব্যানারে শতাধিক সাংবাদিক অংশ নেন। মানববন্ধন শেষে রেলগেট থেকে নিউমার্কেট হয়ে জিরোপয়েন্ট পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। এরপর দুপুর ১২টায় নগরের সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টে রাজশাহী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আরেকটি মানববন্ধন হয়। এতে অন্যান্য সাংবাদিক সংগঠনগুলোও একাত্মতা প্রকাশ করে অংশ নেয়। সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুর রহমান। পরিচালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন।
রাজশাহী এডিটরস ফোরামের নিন্দা ও উদ্বেগ: তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজশাহী এডিটরস ফোরাম। এক বিবৃতিতে ফোরামের সভাপতি লিয়াকত আলী ও সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব অপু সাংবাদিক তুহিন হত্যার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান। এছাড়া এ ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়ে সারাদেশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করার আহবান জানান ফোরামের নেতারা। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, দ্রুত এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সেই সাথে গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। দোষিদের শাস্তি নিশ্চিত করা না গেলে অপরাধীরা অনুপ্রানিত হবে। বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ সারাদেশে সাংবাদিকদের উপর হামলা নির্যাতনের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রতিটি ঘটনার সঠিক তদন্ত ও দোষিদের শাস্তি নিশ্চিত করার আহবান জানান।
রাবি: গাজীপুরের সাংবাদিক তুহিনকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার ঘটনার বিচার ও সারাদেশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তার দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দরা।
শনিবার (৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে বারোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন সংলগ্ন প্যারিস রোডে এ বিক্ষোভ সমাবেশের করেন তারা । এসময় চারটি দাবি পেশ করেন।
দাবিগুলো হলো- দ্রুত সময়ের মধ্যে নিহত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনের বিচার নিশ্চিত করতে হবে, নিহত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনের পরিবারের দায়িত্ব নিতে হবে, সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে বাঁধা দেওয়ার জন্য শাস্তি স্বরুপ সর্বোচ্চ আইন নিশ্চিত করতে, গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহত হওয়া সাংবাদিকদের তালিকা নিশ্চিত করা।
রাবি প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা পোস্টের ক্যাম্পাস প্রতিনিধি জুবায়ের জিসানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মনির হোসেন মাহিন বলেন, সাংবাদিক তুহিনকে প্রকাশ্যে যেভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে, তা আমরা সবাই দেখেছি। জুলাই-পরবর্তী সময়েও যদি সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়—এই প্রশ্ন আমি ইন্টেরিম সরকারের কাছে রাখছি।
আজ আমাদের এখানে দাঁড়ানোর কথা নয়। এখন আমাদের রাষ্ট্র নিয়ে ভাবার কথা, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করার কথা। কিন্তু কেন আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি? আমরা দাঁড়িয়েছি—আমার ভাইয়ের হত্যার বিচার চাইতে।
ইন্টেরিম সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, আপনারা গদিতে বসেছেন শুধু এসির হাওয়া খাওয়ার জন্য নয়। হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আপনারা এ গদিতে বসেছেন। যদি সেই দায়িত্ব পালন করতে না পারেন, তাহলে গদি ছেড়ে দিন। আপনাদের বাইরে বাংলাদেশে অনেক যোগ্য ব্যক্তি আছেন, যারা দেশকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারবেন এবং আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবেন। সাংবাদিকদের অবহেলার চোখে দেখার কোনো সুযোগ নেই। সাংবাদিকরা যেমন রাষ্ট্রের প্রয়োজনে কলম দিয়ে লিখতে পারে, তেমনি প্রয়োজনে সেই কলমকে অস্ত্রে পরিণত করে বিপক্ষেও লিখতে পারে। তাই আমরা বর্তমান সরকারকে সতর্ক করছি—এই ধরনের সাহস যেন আর কেউ না দেখাতে পারে, তার জন্য আমরা ন্যায়সঙ্গত ও যথাযথ বিচার চাই।
মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ইরফান তামিম বলেন,দেশের যে বর্তমান আইন শৃঙ্খলা বিগত সরকারের আইন শৃঙ্খলার অবস্থার থেকে করুণ। আমরা ভেবেছিলাম গণঅভ্যুত্থানের সরকার রাষ্ট্রকে ভালো অবস্থানে নিয়ে যাবে। নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে। কিন্ত তারা পুরোপুরি ব্যর্থ।
তিনি আরও বলেন, আমরা গাজীপুরে সাংবাদিক হত্যার যে বিষয়টি দেখেছি এটি সাংবাদিকদের উপর হয়ে যাওয়া নিয়মিত একটি ঘটনা। আমরা সাংবাদিকদের উপর হওয়া নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
রাবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সোহাগ আলী বলেন, আমাদের এই ধরনের দাবি নিয়ে দাড়ানোর কথানা তাও এখানে দাড়াতে হচ্ছে। কারণ আজ পর্যন্ত যত সাংবাদিক হত্যা কিংবা নির্যাতনের শিকার হয়েছে সেগুলোর কোনো বিচার হয়নি। আমাদের দেশে যে বিচার হীনতার সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে সেখানে তারাও ধরে নিয়েছে সাংবাদিকদের হত্যা করলে এর কিছুই হবে না। রাষ্ট্র যদি এই বিচার হীনতার সংস্কৃতি থেকে বের না হতেভপারে তাহলে এমন হত্যাকান্ড বাড়তেই থাকবে।
বিক্ষোভ সমাবেশে রাবি প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সৈয়দ সাকিব বলেন, “সাম্প্রতিক যে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে, এরকম নৃশংসভাবে সাংবাদিককে হত্যা—শেষ কবে হয়েছে আমার মনে পড়ে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য উপদেষ্টাকে উদ্দেশ্য করে আমি বলতে চাই—আপনার কাছ থেকে একটি সুস্পষ্ট বার্তা আমরা শুনতে চাই। আপনি এই সংবাদকর্মীদের অভিভাবক, কিন্তু এখনো পর্যন্ত আমরা আপনার কোনো প্রতিবাদ দেখিনি, এমনকি একটি ফেসবুক পোস্টও না। এভাবে একদম প্রকাশ্যে ও নৃশংসভাবে একজন সংবাদকর্মীকে হত্যার পরও আপনার পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য না আসা অত্যন্ত দুঃখজনক।” এসময় ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দসহ এ বিক্ষোভ সমাবেশে প্রায় শতাধিক মানুষের উপস্থিতি ছিলো।
বিপিজেএ: তীব্র নিন্দা ও শাস্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশন রাজশাহী শাখা (বিপিজেএ)। শুক্রবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট এসোসিয়েশন রাজশাহী শাখার (বিপিজেএ) সভাপতি শরিফুল ইসলাম তোতা ও সাধারণ সম্পাদক সামাদ খান এক বিবৃতিতে হত্যাকারীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, গত বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় একদল সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। তিনি দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের গাজীপুর প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। আমরা এই নির্মম হত্যাকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং হত্যার ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন। তাই সরকারের কাছে হত্যাকারীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, অভিযুক্ত ব্যাক্তিদের যথাযথ বিচার হয় না বলেই এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখতে হচ্ছে। আমরা এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে মুক্তি চাই। গণমাধ্যম কর্মীদের জীবনের নিরাপত্তা চাই। আমরা মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তার শোকাহত পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
দৈনিক সানশাইন পত্রিকার সংবাদকর্মীর পাঠানো কর্মসুচিগুলো তুলে ধরা হলো- বিভিন্ন স্থানে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক তুহিনের হত্যা কেবল একজন সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ নয়, বরং এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার প্রতি হুমকি। এ দায়িত্ব রাষ্ট্র এড়িয়ে যেতে পারে না। গাজীপুরসহ দেশব্যাপী সাংবাদিকদের হত্যা, নির্যাতনে জড়িতদের গ্রেফতার ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। সাংবাদিকদের পেশাগত রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সুরক্ষা আইন করে তাদের সুরক্ষা দেওয়ার দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, ‘সাংবাদিক হত্যা মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এনে বিচারের দাবি জানান।’ মানববন্ধনে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
মান্দা: রিপোর্টার আসাদুজ্জামান তুহিনকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে ও দ্রুত বিচার দাবিতে মান্দায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন স্থানিয় গণমাধ্যম কর্মীরা। শনিবার ৯ আগস্ট বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার ফেরিঘাট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
মান্দায় কর্মরত সাংবাদিকদের আয়োজিত এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন, সাংবাদিক মাসুদ রানা, পলাশ চন্দ্র সরকার, আব্দুল মজিদ সম্্রাট, রইচ উদ্দিন ও ওয়াসিম রাজু।
নওগাঁ: শনিবার বেলা ১১টায় শহরের মুক্তির মোড়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনের সড়কে নওগাঁয় কর্মরত গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে গঠিত ‘সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি’ এর ব্যানারে ঘন্টাব্যাপী এই কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি রায়হান আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি নবির উদ্দিন, জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আজাদ হোসেন মুরাদ, জেলা টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক আসাদুর রহমান জয়, জেলা রিপোটার ইউনিটের সভাপতি আব্দুর রশিদ তারেক, জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক রিফাত হোসেন সবুজসহ বিভিন্ন গনমাধ্যমের সাংবাদিকরা।
পাঁচবিবি: পাঁচবিবি তিনমাথায় ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করে সাংবাদিকরা। পাঁচবিবি প্রেসক্লাব ও পাঁচবিবি পৌর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের আয়োজনে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পাঁচবিবি প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব আজাদ আলী, সম্পাদক সজল কুমার দাস, সাবেক সভাপতি আব্দুল হাই, আব্দুল হালিম সাবু, সিনিয়র সাংবাদিক বাবু দুলাল অধিকারী, সাখাওয়াত হোসেন, পৌর প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রভাষক মোঃ আহসান হাবিব, সম্পাদক আমিনুল ইসলাম দুলাল, আব্দুল কাইয়ুম, দবিরুল ইসলাম, সুমন চৌধুরী, বাবুল হোসে, আকতার হোসেন বকুল, আল কারিয়া চৌধুরী, রেজওয়ান হোসেন হিরো ও মোস্তাকিম হোসেন সহ অনেকেই। সাংবাদিক তুহিনের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবী জানান মানববন্ধন থেকে সাংবাদিকরা। সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির খুনিদের বিচার আজও হয়নি শুধু রায়ের তারিখ পরিবর্তন হয় সাংবাদিক তুহিনের ক্ষেত্রে এমনটি যেন না হয় মানববন্ধন থেকে সরকারের হুঁশিয়ারি দেন পাঁচবিবির সাংবাদিকরা।
জয়পুরহাট: শনিবার জেলা শহরের জিরো পয়েন্ট মসজিদ মার্কেটের সামনে ‘সাংবাদিক হত্যার বিচার চাই, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা চাই’ এই স্লোগানে এ কর্মসূচী করা হয়। জয়পুরহাট প্রেসক্লাব আয়োজিত এই কর্মসূচীতে জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
এতে বক্তব্য রাখেন, জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাশরেকুল আলম, সহ-সভাপতি রেজাউল করিম রেজা, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম কাদির, লাইব্রেরীর সম্পাদক মোঃইসমাইল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, যমুনা টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার আব্দুল আলিম, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
নিয়ামতপুর: উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে নিয়ামতপুর উপজেলা প্রেসক্লাব ও নিয়ামতপুর প্রেসক্লাবের যৌথ উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ উপস্থিত ছিলেন, নিয়ামতপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জনি আহমেদ, নিয়ামতপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ জাহান শাজু, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, নিয়ামতপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আব্দুল মতিন, আলমগীর মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক মিলন হোসেন, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক জামাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক শাকিল হোসেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইমরান ইসলাম, সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন, নিয়ামতপুর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি রুহুল আমিন শেখ, দপ্তর সম্পাদক রঞ্জিত, সদস্য জাকির হোসেন, রাকিবুল ইসলাম অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বাগমারা: উপজেলা সদর ভবানীগঞ্জ নিউমার্কেটের সামনে মানববন্ধনের আয়োজনে প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে কর্মরত সংবাদকর্মীরা নিহত সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনের নৃশংস হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। বক্তারা বলেন, “সিসিটিভি ফুটেজে হত্যাকান্ডে জড়িত সন্ত্রাসীদের চেহারা স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। সেই ফুটেজ দেখে সকল আসামিকে গ্রেপ্তারের দাবি সহ পাশাপাশি যাদেরকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে তাদের কঠোর শাস্তি ফাাঁসির দাবি করা হয়। একই সাথে এই সন্ত্রাসী কাজের মদদদাতাদের বিরুদ্ধে একই ব্যবস্থা নিতে দাবি জানান।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, বাগমারা প্রেসক্লাবের সভাপতি রাশেদুল হক ফিরোজ , সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আফাজ্জল হোসেন, ইউসুফ আলী, আলতাফ হোসেন, আবু বাক্কার সুজন, আলমগীর হোসেন প্রমুখ।