সর্বশেষ সংবাদ :

পদ্মার চরে বজ্রপাতে ১১ মহিষের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার, বাঘা: রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মার চরাঞ্চলে এক বাতান বাড়িতে বজ্রপাতে ১১ টি মহিষের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার ৩ আগস্ট ভোর রাতে চৌমাদিয়ার বাংলা বাজার চরের বাতান বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, উপজেলার পদ্মার মধ্যে চকরাজাপুর ইউনিয়নের চৌমাদিয়া চরের রকমত আলী শেখের ছেলে নবি আলী শেখ চৌমাদিয়ার বাংলাবাজার চরের বাতান বাড়িতে ১১ টি মহিষ রাখা ছিল। শনিবার সারা রাত বৃষ্টি হয়। শেষ রাতে রবিবার সাড়ে তিনটার দিকে বজ্রপাতে ১১ টি মহিষের মৃত্যু হয়। নবি আলী শেখ পদ্মার ভাঙনে কিছুদিন আগে চৌমাদিয়ার বাংলাবাজার চরে বাতান বাড়ি তৈরী করেন। এই বাতান বাড়িতে রাখা ছিল তার শেষ সম্বল ও প্রাণের চেয়ে প্রিয় গবাদি পশু ১১ টি মহিষ। যার আনুমানিক মুল্য মূল্য প্রায় ২০ লক্ষ টাকা।
এ বিষয়ে চকরাজাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড চৌমাদিয়া চরের ইউপি সদস্য আবদুর রহমান বলেন, নবি আলী শেখ ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। কিছুদিন আগে তার বাড়ি পদ্মাগর্ভে বিলিন হয়ে গেলে বাংলা বাজার এলাকায় মহিষ রাখার জন্য বাতান বাড়ি (খামার) তৈরী করে। এখানে তিনি সারাদিন মাঠে মহিষ চরায়ে রাতে বাতান বাড়িতে রাখেন। হতাৎ রবিবার ভোর রাতে বজ্রপাতে তার ১৩টি মহিষের মধ্যে ১১টি মারা যায়।
চকরাজাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আজিজুল আজম বলেন, বজ্রপাতে গবাদি পশুর মৃত্যু একটি দুঃখজনক ঘটনা। অনেক সময় বজ্রপাতের কারণে মাঠ বা খোলা জায়গায় থাকা গবাদি পশু মারা যায়। এটি কৃষক ও খামারিদের জন্য একটি বড় ক্ষতির উদাহারণ। তিনি এই প্রাকৃতিক দুর্ঘটনায় নবী শেকের জন্য সরকারের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে আর্থিক সহায়তার জন্য সুদৃষ্টি কামনা করেন।


প্রকাশিত: August 4, 2025 | সময়: 3:16 am | সুমন শেখ