সর্বশেষ সংবাদ :

নিহত পাইলট স্কোয়াড্রন লিডার তৌকিরের বাড়ী রাজশাহীতে

স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকায় প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত স্কোয়াড্রন লিডার তৌকির ইসলাম সাগরের রাজশাহী মহানগরীর উপশহরে ৩ নম্বর সেক্টরে। ‘আশ্রয়’ নামে ২২৩ নম্বর বাড়িটিতে ভাড়া থাকেন তৌকিরের বাবা তহুরুল ইসলাম, মা সালেহা খাতুন এবং ছোট বোন সৃষ্টি খাতুন। সোমবার তার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে রাজশাহীজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। এর আগে দুর্ঘটনার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বাড়িটিতে আত্মীয়-স্বজনরা আসতে শুরু করে। কিছুক্ষণ পর মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে কান্নায় সেখানকার পরিবেশ ভারি হয়ে উঠে।
তৌকির রাজশাহীর নিউ গভ. ল্যাবরেটরি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিল। এরপর পাবনা ক্যাডেট কলেজে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হন। তিনি ওই কলেজের ৩৪তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। ২০১৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে তৌকির যোগ দেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে। অমায়িক ও সদা হাসিখুশি স্কোয়াড্রন লিডার তৌকির ইসলাম সাগর আর বেঁচে নেই তা যেন আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের মানতে কষ্ট হচ্ছে।
আত্মীয়-স্বজনরা জানান, তৌকিরের পরিবারের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ হলেও ২৪ বছর ধরে রাজশাহীতে ভাড়া থাকেন। বছরখানিক আগে রাজশাহীর সপুরায় নিজস্ব জমিতে তিনতলা একটি বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলেন স্কোয়াড্রন লিডার তৌকির ইসলাম সাগর। বাড়িটি এখনো নির্মানাধীন।
নিহত পাইলট স্কোয়াড্রন লিডার তৌকির ইসলাম সাগরের মামা রফিকুল ইসলাম জানান, বিকেলে ৫টার দিকে র‌্যাবের একটি গাড়িতে করে তৌকিরের বাবা-মা, বোন সৃষ্টি খাতুন, বড় বোন বৃষ্টি খাতুন ও তার স্বামী ডা. তুহিন ইসলাম এবং আরেক মামা মোহাম্মদ আলীকে নিয়ে যাওয়া হয় হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দর। সেখান থেকে তাদের বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় নেয়া হয়।
তিনি আরো জানান, বছরখানিক আগে তৌকির ইসলাম সাগর বিয়ে করেছিলেন। স্ত্রী ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। স্ত্রীসহ নিহত তৌকির ইসলাম সাগর ঢাকায় সরকারি কোয়ার্টারে বসবাস করতেন।


প্রকাশিত: July 22, 2025 | সময়: 4:20 am | সুমন শেখ

আরও খবর