, , ।
মাহফুজুর রহমান প্রিন্স, বাগমারাঃ মানসম্পন্ন পন্য ও তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যের কারণে বাগমারায় টিসিবি’র পণ্য ক্রয় করতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে বামারার ১৬ টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভায় আটটি বিক্রয় কেন্দ্র থেকে টিসিবি’র ৪ টি পণ্য কার্ডধারী ক্রেতাদের মাঝে বিক্রয় করা হচ্ছে। বাজার মূল্যের চেয়ে টিসিবি’র পণ্য সাশ্রয় হওয়ায় ক্রেতারা লাইন ধরে এসব পন্য ক্রয় করছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, স্বল্প আয় ও নিম্নবিত্তের লোকজনদের নিত্যপন্যের চাহিদা পূরণের জন্য সরকার টিসিবি’র মাধ্যমে চিনি, মসুর ডাল, সয়াবিন তেল ও চাল বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করে। প্রতি কেজি চিনি ৭০ টাকা, মসুর ডাল ৬০ টাকা সয়াবিন তেল ১০০ টাকা ও ৩০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রয় করা হয়। কার্ডধারী ক্রেতারা টিসিবি’র নিদৃষ্ট বিক্রয় কেন্দ্র থেকে এসব পন্য ক্রয় করছেন।
বুধবার ভবানীগঞ্জ গোডাউন মোড়ের টিসিবি’র বিক্রয় কেন্দ্রে গিয়ে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এখানে ক্রেতারা ভাল মানের পণ্য ও সাশ্রয়ী মূল্যে ক্রয় করতে পেরে তাদের সন্তুষ্টির কথা জানান। এখানে লাইনে দঁড়ানো ক্রেতা হুছেন, বাহার, আশরাফুল জানান, মোট চার ধরনের পণ্য তারা এখানে পাচ্ছেন। প্রতি প্যাকেজের মূল্য ৬০০ টাকা। তাদের মতে এই ৬০০ টাকার পণ্য খোলা বাজারে কিনতে গেলে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা লাগবে। তারা এখানে দুই থেকে আড়াইশ টাকা কম পাচ্ছেন। তার ওপর টিসিবি’র পন্যের গুনগত মান অনেক ভাল।
তবে দু’একজন ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, সরকার এবার যে সয়াবিনের পরিবর্তে রাইস বার্ন তেল দিচ্ছেন এটা খেতে অভ্যস্ত নয়। তারা পূর্বের মত সয়াবিন তেল দেওয়ার দাবী জানান।
টিসিবি’র ডিলার আতিকুল ইসলাম রায়হান জানান, রাইস বার্ন ও সয়াবিন দুটো তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। তাই তেল নিয়ে কারো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। এছাড়া আমার প্রতি বিক্রয় কেন্দ্রে নারী পুরুষদের জন্য আলাদা লাইনে সঠিক ওজনের মাধ্যমে ও হয়রানীমুক্ত ভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুবুল ইসলাম জানান, টিসিবি’র বিক্রয় কেন্দ্র গুলো আমার নিয়মিত মনিটরিং করছি। কোথাও কোন অনিয়ম হলে সাথে সাথে তার সমাধান করা হচ্ছে। যাতে লোকজন হয়রানীমুক্ত ভাবে এসব কেন্দ্র থেকে পণ্য ক্রয় করতে পারেন।