, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: গত ৩ ফেব্রুয়ারি পবা উপজেলা চত্বরে টেন্ডার বাক্স ছিনতাই হওয়ার ঘটনায় বিএনপি যুবদল ও ছাত্রদলসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রশাসন কর্তৃক অযাচিত ভাবে হয়রানি ও আইনশৃংখলা বাহিনী কর্তৃক গ্রেপ্তার করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন যুবদল নেতা শাকিলুর রহমান রন। তিনি রাজশাহী নগরের শাহমখদুম থানা যুবদলের (সাবেক) যুগ্ম সম্পাদক। সেদিন শাকিলুর রহমান জেলা যুবদলের একজন যুগ্ম আহ্বায়কের সঙ্গে দরপত্র জমা দিতে গিয়েছিলেন। এসময়ে তাঁর সাথে ছিলেন তারই এলাকার যুবদল ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
এ বিষয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শাকিলুর রহমান রন। তিনি বলেন, সকালে টেন্ডার ফেলার জন্য তিনি ও তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে দোতলায় টেন্ডার ফেলার জন্য গেলে তাদের বাধা প্রদান করে। তারা বাধা উপেক্ষা করে বাক্সে টেন্ডার ফেলে নিচে গিয়ে দাঁড়ান। এর কিছুক্ষণ পরে কে-বা কারা বাক্স উপরে থেকে ফেলে দেয়। এতে বিকট শব্দ হয়। এপর সন্ত্রাসীরা টেন্ডার বাক্স ভাঙ্গচুর করে। সেইসাথে বোমা ফোটানো হয়। এ সময়ে তিনি উপজেলা গেটের দিকে এগিয়ে যেয়ে সন্ত্রাসীদের বোমা ফাটানোর এবং টেন্ডার বাক্স ভাঙ্গচুর ও টেন্ডার ছিন্তাই করে নিয়ে যেতে নিষেধ করতে থাকলে এক পর্যায়ে আরেক জনের নির্দেশে অপরিচিত একজন তাকে চাকু দিয়ে পেটে আঘাত করে।
এরপর তিনি চিৎকার শুরু করলে তার বন্ধু ও তার সাথে থাকা লোকজন দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তিনি এখন বাড়িতে চিকিৎসাধীন আছেন। রোববার বাড়িতেই তিনি সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সংবাদ সম্মেলন থেকে অভিযোগ করেন তার সাথে থাকা যুবদল ও ছাত্রদলসহ বিএনপি অঙ্গ সংগঠনের রোকন, মুন্না, নাইম, আশিক, পলাশ, সুমন, খালেদ সাইফুল, বেলাল, রাজেস, সবুজ ও হোহেলসহ আরো নেতৃবৃন্দ কোন প্রকার অপরাধ করেনি।
তারা তার সাথে টেন্ডার ফেলার জন্য গিয়েছিলেন। অথচ সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখে ঐ সময়ে যারা নিরবে দুে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাদের বাড়িতে পুলিশ ও আর্মি হামলা করছেন। রাতের অন্ধকারে বাড়িতে এসে বাড়ির দড়জায় লাথি মারছেন। ভিতির সৃষ্টি করছেন। এতে করে প্রকৃত আসামীরা ধরাছোঁয়ার বাহিরে চলে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরো বলেন, ঐ খানে সেদিন শুধু বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছিলেন না। অন্য দলেরও নেতাকর্মী ছিলেন। সেইসাথে পতিত সরকারের দোসররাও ছিলেন। কিন্তু শুধু খুঁজে খুঁজে তাদের দলের লোকজনকেই আটক করা হচ্ছে। বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীদের একতরফাভাবে না আটক করে সিসি ফুটেজ দেখে যারা প্রকৃত দোষি তাদের আটক করে আইনের আওতায় নিয়ে শাস্তির দাবী জানান তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবি ও যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান মিলনসহ পরিবারের অন্যান্য সদদ্যগণ।