, , ।
মোহনপুর প্রতিনিধি:
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার জাহানাবাদ ইউপির গবড়ার মোড়ে সরকারি টেন্ডারের পুকুরের মাছ হরিলুটের অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার অংশ হিসেবে পুকুরের মাছ হরিলুট করা হয় বলে জানান স্থানীয়রা। রবিবার (২ জুন) সকাল ৭ টার সময় এ হরিলুটের ঘটনা ঘটে। মাছ লুটের ফুটেজ ও বিক্রির রশিদ প্রতিবেদকের হাতে সংরক্ষিত রয়েছে।
জানা গেছে, সরকারি ৪৮ শতাংশ আয়তনের পুকুরটি গতবছর টেন্ডার পান জাহানাবাদ ইউপি ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল লতিফ কবিরাজ। এরপর তিনি মাছচাষ শুরু করেন। আব্দুল লতিব পরাজিত কাপ-পিরিচ মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী আল-মোমিন শাহ গাবরুর পক্ষের অনুসারী। গত ২৯ মে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আনারস মার্কার প্রার্থী আফজাল হোসেন বকুল। তবে যারা মাছ হরিলুট করেছে তারা আনারস মার্কার সমর্থক বলে জানা গেছে।
মাছ হরিলুটের ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী আব্দুল লতিফ। ভুক্তভোগী ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পাকুড়িয়া গ্রামের মৃত কুদ্দুস কবিরাজের ছেলে রাকিব হোসেন (৩২), উহাব কবিরাজের ছেলে সাগর হোসেন, মৃত নুর মোহাম্মদ এর ছেলে নাজিম উদ্দীন ও বেলাল হোসেন, ধামিন পাকুড়িয়া গ্রামের খয়ের এর ছেলে নয়ন হোসেন, মহররম আলীর ছেলে গোলাম হোসেন, মুনসুর এর ছেলে সাগর হোসেনসহ আরো কয়েকজন অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে পুকুরে ব্যাড় জাল ফেলে মাছ লুট করে। পরবর্তী লুট করা মাছ পার্শ্ববর্তী বাগমারা উপজেলার মাদারিগঞ্জ মাছ বাজারে মাছ বিক্রি করা হয়। তবে মাছ লুট করে উপস্থিত যে যারমত মাছ বাসায় নিয়ে যান। আর অবশিষ্ট মাছ বাজারে বিক্রি করা হয়।
এবিষয়ে মোহনপুর থানার ওসি তদন্ত আছের আলী অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি দৈনিক সানশাইন’কে জানান, ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে এসেছিলেন রাজশাহী জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ খায়রুল আলম।
সানশাইন / শামি