, , ।
নুরুজ্জামান ,বাঘা :
রাজশাহীর বাঘায় আগামী ৫ জুন শেষ ধাপে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এই নির্বাচন উপলক্ষে ৯ মে’ অনলাইনের মাধ্যমে মনোনয়ন উত্তোলন ও জমা দেয়ার শেষ তারিখ নির্ধারণ করেছেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ইসি। এ দিক থেকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চেয়ারম্যান পদে ২ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন সর্বমোট ৮ জন প্রার্থী বাঘা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার এর নিকট তাদের মনোনয়ন (হাড কপি)জমা দিয়েছেন।
অপর একজন চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং রাজশাহী জেলা আ’লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এড: লায়েব উদ্দিন লাভলু অনলাইনে আবেদন করার কারনে তিনি লোকবল নিয়ে মনোনয়ন পত্র (হাডকফি)জমা দেননি। তিনি যাছাই-বাছাই এর দিন প্রয়োজনে তাঁর কফি দাখিল করবেন বলে এ প্রতিবেদককে জানান।
এদিকে অপর একজন উপজেলা আওয়ামীলীগ ঘোষিত চেয়ারম্যান প্রার্থী রোকনুজ্জামান রিন্টু বাঘার ঐতিহাসিক হজরত শাহদৌলার মাজার জিয়ারত শেষে হাজার-হাজার লোকজন নিয়ে বাঘা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সমাবেশ শেষে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। রিন্টু বাঘা উপজেলা আওয়ামীলীগ মনোনিত চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে সকলের কাছে পরিচিত। তিনি রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ,বর্তমান রাজশাহী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও জেলা আ’লীগের সদস্য হিসাবে কর্মরত রয়েছেন। তাঁর বাবা প্রয়াত আব্দুল খালেক (মাষ্টার) ছিলেন বাঘা উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার।
রোকনুজ্জামান রিন্টুর সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, বাঘা উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল,আড়ানী পৌর মেয়র মুক্তার আলী ,উপজেলা আ’লীগের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মন্টু , অধ্যক্ষ নছিম উদ্দিন ,সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াহেদ সাদিক কবির এবং ৫ জন ইউপি চেয়ারম্যান-সহ ২ টি পৌর সভা ও ৭ টি ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি-সম্পাদক ও আওয়ামী সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভায় বাঘা উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল বলেন, ৭ জানুয়ারী জাতীয় নির্বাচনে প্রতিপক্ষদের যে ভাবে পরাজিত করেছি, ঠিক একই ভাবে উপজেলা নির্বাচনেও পরাজিত করবো। তবে প্রার্থী রোকনুজ্জামান রিন্টু সকলের দোয়া চেয়ে বলেছেন, আমি আপনাদের ভালবাসায় সিক্ত হয়ে চেয়ারম্যান নয়,একজন সেবক হতে চাই।

অপর দিকে নারী ভাইস চেয়াম্যান হিসাবে জমা দিয়েছেন ফারহানা দিল আফরোজ রুমী, রিনা বেগম ও ফাতেমা খানুন লতা।
সানশাইন/সোহরাব হোসেন