, , ।
স্টাফ রিপোর্টার,বাঘা :
রাজশাহীর বাঘায় বিগত কয়েক বছর পূর্বে ব্যাপক পরিমান পুকুর খনন করা হয়েছে। এই পুকুর খনন করতে গিয়ে অনেকে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশ কর্তৃক বাধাগ্রস্থ হয়েছে। যারা এই বাধার শিকার, তাদের মধ্যে এখন অনেকেই লেবার দিয়ে বাঁকি কাজ সম্পন্ন করছেন। তবে এ কাজ করতে গিয়ে প্রশাসনের চেয়ে কথিত সাংবাদিকদের দ্বারা এখন
বেশি বাধাগ্রস্থ এবং আর্থিক ক্ষাতির সম্মুখিন হচ্ছে বলে অনেকেই অভিযোগ করেছেন ।
সংশ্লিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, ফসলি জমিতে পুকুর খনন আইনে কিছু বিধি নিষেধ আরোপিত আছে। তার পরও কোনো কোনো স্থানে ‘বিশেষ ব্যবস্থায় পুকুর খনন হয়েছে এবং এখনও অব্যাহত আছে। আবার বৈধ পুকুর সংস্কার বা পুনঃখননে বাধাও দেওয়া হচ্ছে। যদিও উপজেলা প্রশাসন বলছেন, ফসলি জমিতে পুকুর খননে আইনি বাধা থাকলেও পুরনো পুকুর সংস্কারে নিষেধাজ্ঞা নেই।
তবে পুরাতন পুকুর কিংবা এক বছর পূর্বে প্রশাসন কর্তৃক বাধাপ্রাপ্ত পুকুর এই মুহুর্তে লেবার দিয়ে সংস্কার করতে গিয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চেয়ে কতিপয় অনলাইন ডট কম এবং আন্ডার গাউন্ড পত্রিকার সংবাদিকদের তোপের মুখে পড়ছেন আনেক কৃষক । তাঁরা এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এটি নিরসনে কোনো উদ্যোগ লক্ষ করা যাচ্ছে না। ফলে স্থানীয় নামধারি কতিপয় সাংবাদিকদের সাথে শহরমুখি কিছু সাংবাদিকরাও এ সকল স্থানে এসে সুবিধা নিয়ে চলে যাচ্ছে।
বাঘা উপজেলার নারায়নপুর গ্রামের স্বপন সাহা অভিযোগ করে বলেন, আমার জমি বাঘা কেন্দ্রীয় গোরস্থান সংলগ্ন বিলে। সম্প্রতি বাঘা গোরস্থানে মাটির প্রয়োজন হওয়ায় আমি সেখানে একটি পুকুর খননের মাধ্যমে মাটি দেই। কিন্তু কতিপয় সাংবাদিকরা আমার কাছে এসে টাকা চায় এবং টাকা না দিলে পত্রিকা এবং অনলাইন টেলিভিশনে সংবাদ প্রকাশ করে আমাকে ক্ষতিগ্রস্থ করবে বলে হুমকি দেয়।
অপর একজন ভুক্তভুগি সাংবাদিকদের নাম প্রকাশ না করার সর্তে বলেন, বাঘা-আড়ানী রাস্তার পাশে আমার একটি পুরাতন পুকুর রয়েছে। এই মুহুর্তে পাড় বাধায় সহ এটি আমি সংস্কার করছি । কিন্তু সাংবাদিকদের জ্বালাই আমি অতিষ্ঠ।
সার্বিক বিষয়ে বাঘা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আখতার বলেন, পুর্বে কে কতটা পুকুর খনন করেছে সেটি আমার জানা নেই। তবে এই মুহুর্তে ডিসি স্যারের নির্দেশ নতুন করে ফসলি জমিতে কোন পুকুর খনন করা যাবেনা। তবে পুরাতন পুকুর সংস্কারে কোন বাধা নেই।
সানশাইন / শামি