, , ।
ঈশ্বরদী প্রতিনিধি: পাবনার ঈশ্বরদীতে চাচার যৌন লালসার শিকার হয়েছেন এক প্রতিবন্ধী কিশোরী (১৩)। বুধবার ১৯ আগস্ট সকালে ঈশ্বরদী উপজেলার মুলাডুলি ইউনিয়নের বেতবাড়ীয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী কিশোরীর বয়স ১৩ বছর। সে মুলাডুলি ফার্মপাড়া এলাকার সাইদুল ইসলামের মেয়ে। বর্তমানে তারা বেতবাড়ীয়া গ্রামে তাদের নানা বাড়ীতে থাকেন। অভিযুক্ত এসকেন হোসেন (৬৫) ঐ এলাকার মৃত আয়জদ্দির ছেলে। প্রতিবন্ধী কিশোরী সম্পর্কে ধর্ষকের ভাতিজি (ভাইয়ের মেয়ে)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, প্রতিবন্ধী হওয়ায় মোবাইল দেখার অজুহাতে মেয়েটিকে বাড়িতেই আটকে রাখত পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু বুধবার সকালে হঠাৎ মোবাইলের ডাটা (এমবি) ফুরিয়ে গেলে সে সকলের অগোচরে বাড়ির বাহিরে বের হয়। সে সময় ধর্ষক তাকে টেনে বাড়ির পার্শ্বের মৃত হাবিবের নির্মাণাধীন পাকা বাড়িতে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করেন। সে সময় বিবস্ত্র অবস্থায় তাদের দেখে স্থানীয়দের ডাকেন প্রতিবেশী রেখা খাতুন। তার ডাক-চিৎকারে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে এসে ধর্ষক এসকেন কে হাতেনাতে বিবস্ত্র অবস্থায় আটক করেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় এসকেন পালিয়ে যায়।
ধর্ষিতার মামা আরাফাত রহমান বলেন, আমি সকালে কলেজ বের হয়েছিলাম। রাস্তার মধ্য থেকে ফোন পেয়ে বাড়িতে ফিরে আসি। তবে বাড়িতে আসার আগেই ধর্ষককে স্থানীয়রা পোলিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে। আমরা থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক এলাকাবাসী জানান, এসকেন সিরিয়াল ধর্ষক। তার বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক ধর্ষনের ঘটনা রয়েছে। গ্রাম্য শালিশের মাধ্যমে একাধিকবার লাখ লাখ টাকাও জরিমানা দিয়েছেন এই ধর্ষক। তার সঠিক বিচার দাবি করেন সচেতন এলাকাবাসী।
ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশাদুর রহমান বলেন, প্রতিবন্ধী ধর্ষণের খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ প্রাপ্তির পর তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।