সর্বশেষ সংবাদ :

তাজ নেহারকে নিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক: উইমেন’স টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাংলাদেশ দল ঘোষণা করা হয় রোববার।তেমন কোনো চমক নেই দলে। তাজ নেহারকে ফেরানো হয়েছে মূল দলে। বাদ পড়েছেন শারমিন সুলতানা।
আগামী ২৫ মে বাংলাদেশ নারী দল স্কটল্যান্ড যাবে। সেখানে স্কটল্যান্ড ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে। এরপর দল লফবোরো যাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ওয়ার্মআপ ম্যাচ খেলতে। ১৪ জুন বাংলাদেশের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে।
নিজের সপ্তম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার অপেক্ষায় লেগ স্পিন অলরাউন্ডার ফাহিমা খাতুন। ২০১৪ সাল থেকে নিয়মিত বিশ্বকাপে খেলছেন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হোম সিরিজে স্ট্যান্ডবাই তালিকায় ছিলেন তাজ নেহার। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে পারদর্শী থাকায় তাকে দলে যুক্ত করা হয়েছে। যদিও তার পারফরম্যান্স তেমন আশাব্যঞ্জক নয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৮ টি-টোয়েন্টি খেলে রান করেছেন ৬.২৮ গড়ে মোট ৪৪।
তবে তাকে নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচক সাজ্জাদ আহমেদ, ‘‘তাজ নেহার ভার্সেটাইল ব্যাটার, যিনি ১ থেকে ৬ নম্বর পজিশনের যেকোনো জায়গায় ব্যাটিং করতে পারে। বিশেষ করে, ইনিংসের শেষ ৫ ওভারে রান তোলার যে সমস্যা দলে রয়েছে, তাজ নেহার সেটি সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।”
প্রথমবারের মতো নারীদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ১২ দল অংশ নেবে। দুইটি গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করবে দলগুলো। সব মিলিয়ে ম্যাচ হবে ৩৩টি। ১২ জুন টুর্নামেন্ট শুরু হবে। ২৪ দিনের রোমাঞ্চকর প্রতিযোগিতা শেষ কবে ৫ জুলাই। লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে হবে ফাইনাল ম্যাচ। বাংলাদেশ পড়েছে গ্রুপ ‘এ’-তে। যেখানে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত ও পাকিস্তানকে। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে নিউ জিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড।
বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ১৪ জুন নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে, এজবাস্টনে। সকাল সাড়ে দশটায় শুরু হবে ম্যাচ। একই দুজন একই ভেন্যুতে ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচ। ১৭ জুন বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া। খেলা হবে হেডিংলিতে। তিন দিন পর হ্যাম্পশায়ারে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। পাঁচদিনের বড় বিরতির পর ওল্ড ট্রাফোর্ডে বাংলাদেশ খেলবে ভারতের বিপক্ষে। এরপর ২৮ জুন লর্ডসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলবেন নিগার সুলতানা জ্যোতিরা।
২০১৪ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ছয় আসরে বাংলাদেশ ২৫ ম্যাচে ৩টিতে জিতেছে। এবার বাংলাদেশের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ হবে নিজেদের বিশ্বকাপের মূলমঞ্চে তুলে ধরার। বাংলাদেশ স্কোয়াড: নিগার সুলতানা জ্েযাতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার (সহ অধিনায়ক), শারমীন আক্তার সুপ্তা, সোবহানা মোস্তারি, স্বর্ণা আক্তার, রিতু মনি, রাবেয়া খান, ফাহিতা খাতুন, ফারিহা ইসলাম তৃষ্ঞা, মারুফা আক্তার, সানজিদা আক্তার মেঘলা, সুলতানা খাতুন, দিলারা আক্তার, জুয়ায়রিয়া ফেরদৌস, তাজ নেহার।
বাংলাদেশের বিপক্ষে তৃতীয় পাকিস্তানির টেস্ট অভিষেকে সেঞ্চুরি
স্পোর্টস ডেস্ক: টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচেই সেঞ্চুরি করার ঘটনা ঘটেছে মোট ছয়বার। এর মধ্যে দুইজনই পাকিস্তানের ব্যাটার। আজ রোববার তৃতীয় পাকিস্তান হিসেবে টেস্টের অভিষেকে সেঞ্চুরি করলেন আজান আওয়াইজ। পাকিস্তানের সংগ্রহ ছাড়িয়েছে দুইশ।
শনিবার মিরপুরে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ৮৫ রানে অপরাজিত ছিলেন আজান। তার ও আব্দুল্লাহ ফজলের ব্যাটেই স্বপ্ন দেখছিল পাকিস্তান। এ দুজন টিকে থাকলে লিড নেওয়া সহজ হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছিল।
তৃতীয় দিনের ২৫ মিনিটের খেলা হতেই নাহিদ রানার বল পুশ করে অভিষেকেই পৌঁছে যান তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগারে। ১৪ চারে ১৫৩ বলে ১০০ রানে পৌঁছান তিনি। ৫৩ ওভারের খেলা শেষে পাকিস্তানের বোর্ডে রান ১ উইকেটে ২০৩।
এর আগে, বাংলাদেশের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টে প্রথম সেঞ্চুরি করা ক্রিকেটার ছিলেন তৌফিক উমর। ২০০১ সালের ২৯ আগস্ট মুলতানে বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজের প্রথম টেস্ট খেলতে নেমেই শতরান করেন এই পাকিস্তানি ওপেনার। এরপর আরও একটি অনন্য কীর্তি গড়েন আরেক পাকিস্তানি ব্যাটার ইয়াসির হামিদ। ২০০৩ সালের ২০ আগস্ট করাচিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে অভিষেক টেস্টেই দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করেন তিনি। প্রথম ইনিংসে করেন ১৭০ রান এবং দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ছিলেন ১০৫ রানে। টেস্ট অভিষেকে জোড়া সেঞ্চুরির এই কীর্তি ক্রিকেট ইতিহাসেও বিরল।


প্রকাশিত: May 11, 2026 | সময়: 4:25 am | সুমন শেখ