, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আরএসডিপি এনজিওর এক মামলাকে কেন্দ্র করে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন জুনিয়র ক্রেডিট অফিসার আব্দুর রাকিবুল ইসলামের পরিবার। পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে রাকিবুলকে একটি মামলায় ফাঁসিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি জেলে থাকায় স্ত্রী-সন্তানদের জীবন এখন কষ্টে পার হচ্ছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, রাকিবুল পূর্বে আরএসডিপির ফিল্ড অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে তাকে ম্যানেজার পদে পদোন্নতির জন্য গোদাগাড়ী শাখায় বদলি করা হয়। কিন্তু সেই বদলির আগেই ওই শাখার ম্যানেজার সবুজের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে উঠেছিল। পরবর্তীতে সবুজের বিরুদ্ধে হওয়া অভিযোগ উঠে আব্দুর রাকিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
পরবর্তীতে আরএসডিপির ম্যানেজার পারভেজ মাহমুদ খান বাদী হয়ে রাজশাহী মোহনপুর আমলি আদালতে প্রায় ১৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে রাকিবুল কারাগারে রয়েছেন। এদিকে স্বামীর কারাবাসে অসহায় হয়ে পড়েছেন তার স্ত্রী নাজমা বেগম।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন,“আমার স্বামী গোদাগাড়ী শাখায় যোগদানের মাত্র তিন-চার মাসের মাথায় তার বিরুদ্ধে ২০২১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। একজন মানুষ কয়েক মাস চাকরি করে কিভাবে এত টাকা আত্মসাৎ করতে পারে? আমরা গরিব মানুষ, কিন্তু অন্যায় করিনি। আমি সরকারের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।” এদিকে রাকিবুল ইসলামের দুই সন্তানও আর্থিক কষ্টে রয়েছে। তারা জানান, দীর্ঘদিন স্কুলের বেতন পরিশোধ না করায় স্কুলে যেতে পারছেন না। পরিবার এই ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত চেয়েছে।