, , ।
স্টাফ রিপোর্টার, বাগমারা: রাজশাহীর বাগমারায় আব্দুল মতিন নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে দুধর্ষ চুরি সংগঠিত হওয়ার ঘটনা চার দিন অতিবাহিত হলেও এখনো কোন আইনগত ব্যবস্থা নেইনি বাগমারা থানার পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গনিপুর ইউনিয়নের হাসনিপুর গ্রামে। পুলিশের এমন আচরনের ঘটনায় সচেতন মানুষের মধ্যে মিশ্রপ্রতিকিয়া দেখা দিয়েছে।
থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হাসনিপুর গ্রামের আব্দুল মতিনের সাথে একই গ্রামের শরিফুল ইসলামের সাথে বাড়ির ইটের পাচিরে মটর দ্বারা পানি দিয়ে যাতায়াতেরর রাস্তায় কাদাযুক্ত করেন। কাদা যুক্ত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ১৮ মার্চ দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় দুই পক্ষেই থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয় ভাবে নিস্পত্তির আশ্বাস দেন দুই পক্ষকে।
এরই মধ্যে গত ২৪ মার্চ শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে আব্দুল মতিনের পরিবারের ৬ সদস্যকে আসামী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় গত ২৬ মার্চ রাতে অভিযান চালিয়ে বাগমারা থানার পুলিশ মতিন ও তার ছেলে রনিকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠান। বাড়ির নারী সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা থাকায় সবাই বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।
আব্দুল মতিন জেল হাজতে থাকাবস্থায় গত ২৭ মার্চ দিবাগত রাতের কোন এক সময়ে দুর্বৃত্তরা তাদের বাড়ির দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে প্রায় ২০-২৫ লক্ষ টাকার মালামাল লুট ও ভাংচুর করে। বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের বিষয়টি ২৮ মার্চ সকালে প্রতিবেশীরা দেখতে পেয়ে মতিনের পরিবারের সদস্যদের জানান। মতিন কারাগারে থাকার কারনে তার ছোট ছেলে মৃদুল হোসেন বাদী হয়ে ওই দিন চুরির অভিযোগ এনে বাগমারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
চার দিন অতিবাহিত হলেও বাগমারা থানার পুলিশ এখনো আইনগত কোন ব্যবস্থা নেই বলে জানা গেছে। গত ৩০ মার্চ আব্দুল মতিন কারাগার থেকে জামিন নিয়ে বাড়িতে এসে এমন অবস্থা দেখে তিনি ভেঙ্গে পড়েছেন। আব্দুল মতিনের অভিযোগ প্রতিপক্ষরা আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল হাজতে পাঠানোর পরে তারা আমার বাড়িতে লুটপাট করেছে। আমি এই লুটপাটের ঘটনার সুষ্ঠ বিচার চাই বলে তিনি দাবী করেছেন।
এ ব্যাপারে বাগমারা থানার ওসি জিল্লুর রহমান বলেন, আমি থানায় নতুন যোগদান করেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে পরবর্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।