, , ।
স্টাফ রিপোর্টার, জয়পুরহাট: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় প্রার্থীদের স¤পদ, আয় ও মামলার তথ্য প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।
তথ্যে দেখা যায়, কোনো কোনো প্রার্থীর তুলনায় তাঁদের স্ত্রীদের স¤পদের পরিমাণ বেশি। আবার কিছু ক্ষেত্রে বাজার মূল্যের তুলনায় স¤পদের মূল্য কম দেখানো হয়েছে। তবে প্রার্থীদের বড় অংশই উচ্চশিক্ষিত।
হলফনামা অনুযায়ী, জয়পুরহাট-২ (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর উপজেলা) সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনীত দলীয় প্রার্থী, সাবেক জেলা প্রশাসক আব্দুল বারী নিজের, স্ত্রী ও নির্ভরশীল সন্তানদের আয়, স¤পদ, দায়দেনা ও মামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছেন। তিনি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা এবং তাঁর স্ত্রী নাজমা আরা বেগম গৃহিণী।
হলফনামা অনুযায়ী আব্দুল বারীর বার্ষিক আয় কৃষিখাত থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার, বিদেশ থেকে ২০ হাজার টাকা। শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত ৬ হাজার ৬৮৭ টাকা, পেশাগত সম্মানী ৪০ হাজার টাকা, পেনশন ৬ লাখ ৯৮ হাজার ২১০ টাকা।
এ ছাড়া নির্ভরশীলদের ব্যাংক আমানত ও সঞ্চয়পত্র থেকে বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ১৫ লাখ ১৯ হাজার ৮৪৪ টাকা। দাখিলকৃত আয়কর রিটার্নে বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৯ লাখ ৯৪ হাজার ৮৯৭ টাকা এবং মোট স¤পদের পরিমাণ ৬৪ লাখ ৩৪ হাজার ৩৪ টাকা।
অস্থাবর স¤পদ নগদ অর্থ আব্দুল বারীর নামে ৬ লাখ ৫৫ হাজার ৭৫০ টাকা, তাঁর স্ত্রীর নামে ১ লাখ ৫০ হাজার ৬০ টাকা এবং বিভিন্ন ব্যাংক আমানত আব্দুল বারীর নামে মোট প্রায় ১৯ লাখ টাকা ও স্ত্রীর নামে প্রায় ৪৩ হাজার টাকা সঞ্চয়পত্র ও এফডিআর আব্দুল বারীর নামে ৮৮ হাজার ৩৯৮ টাকা স্ত্রীর নামে ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা যানবাহন একটি প্রাইভেট কার (অধিগ্রহণ মূল্য ২৪ লাখ টাকা)।
স্বর্ণ ও গহনা আব্দুল বারীর নামে ২০ তোলা এবং স্ত্রীর নামে ২০ ভরি, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লাখ ৫৬ হাজার ১২০ টাকা, আসবাবপত্র ২০ হাজার টাকা অস্থাবর স¤পদের মোট অধিগ্রহণ কালীন মূল্য ২৬ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৮ টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।
স্থাবর স¤পদ কৃষিজমি (উত্তরাধিকার সূত্রে) ৩৩১.৫০ শতাংশ, অকৃষি জমি বিভিন্ন স্থানে, অধিগ্রহণমূল্য ৫৩ লাখ ৫ হাজার টাকা, গ্রামে দুই কক্ষবিশিষ্ট পাকা বাড়ি ৭ লাখ ৫৫ হাজার টাকা, স্থাবর স¤পদের মোট অধিগ্রহণকালীন মূল্য ৫৩ লাখ ৫ হাজার টাকা, যার বর্তমান আনুমানিক মূল্য ১৫ কোটি ৬৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
দায় ও দেনা ছেলের কাছ থেকে ধার ৮ লাখ টাকা, মেয়ের কাছ থেকে ধার ১৭ লাখ টাকা, আর স্ত্রীর নামে সন্তান ও আত্মীীয়দের কাছ থেকে ধার ২৪ লাখ ৫০ হাজার। অন্যান্য ধার ১৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকা, নির্ভরশীলদের নামে দায় ৮ লাখ ২২ হাজার ৭০২ টাকা মাত্র। তবে হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর নিজের বা তাঁর পরিবারের কোনো সদস্যের নামে কোনো খেলাপি ঋণ নেই।