সর্বশেষ সংবাদ :

১০ লাখ আয় করতে, সরকারের খরচ ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ‎

রকিবুল হাসান রকি, পুঠিয়া: ‎রাজশাহীর পুঠিয়া টেলিফোন এক্সচেঞ্জ অফিসের আওতায় পুরো উপজেলায় মোট সংযোগ রয়েছে ৪৬টি এর মধ্যে সচল রয়েছে ৩৮টি। ফসল টেলিফোন লাইনের বিপরীতে প্রতিমাসে সরকারের আয় হয় প্রায় ৫ হাজার টাকার মতো। অন্যদিকে প্রতিমাসে সরকারের ব্যয় হয় ৫০ হাজার টাকার মতো।
এতে গত ২০ বছরের হিসাব ধরলে সরকারের রাজস্ব আসে ১০ লাখ টাকা, অন্যদিকে সরকারের ক্ষতির পরিমাণ এক কোটি বিশ লাখ টাকা। এই হিসেবে সরকার সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়ছে এক কোটি ১ লাখ টাকা।
তবে রাজশাহী সদরের হিসাব অনুযায়ী লাভ ক্ষতি সমান সমান হচ্ছে বলে ধারণা করছেন রাজশাহীর বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন লিমিটেড (বিটিসিএল) এর উপ-মহাব্যবস্থাপক (টেলিকম) (অ.দা.) সাদিকুর রহমান মাবুদ।‎
‎খোঁজ নিয়ে জানা গেছে পুরো উপজেলা জুড়ে মাত্র তিনজন ব্যক্তি টেলিফোন লাইন ব্যবহার করেন। এদের মধ্যে একজনের লাইন অকেজো বলেও জানা গেছে।‎
‎অন্যদিকে পুঠিয়া উপজেলা টেলিফোন এক্সচেঞ্জ অফিসে দায়িত্বরত টেকনিশিয়ান মখলেছুর রহমান তিনি বলেন, টেলিফোন লাইনের কথা খুবই স্পষ্ট এবং ঝরঝরে তবুও মানুষ টেলিফোন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার কারণ বুঝতে পারছি না। আমাকে এখানে দায়িত্ব দিয়ে রাখা হয়েছে আমি আমার কাজ করছি।‎
‎ক্ষতির কথা স্বীকার করে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন লিমিটেড (বিটিসিএল) রাজশাহীর উপ-মহাব্যবস্থাপক (টেলিকম) (অ.দা.) সাদিকুর রহমান মাবুদ বলেন, অন্যান্য বেসরকারি কোম্পানিরা যেভাবে সেবা দিচ্ছে সেভাবে আমরা সেবা দিতে পারছি না সেই কারণে প্রতিযোগিতা যোগে আমরা পিছিয়ে আছি। তবে আমাদের লাইনের কারণে গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় ইন্টারনেট সেবা অব্যাহত আছে। সামনে আমাদের বড়সড় পরিকল্পনা রয়েছে। আশা করছি সামনের দিনগুলোতে এমন পরিস্থিতি আমাদের থাকবে না।
এছাড়াও সরকারি লাইন মাঠে আছে দেখে বেসরকারি কোম্পানি যা ইচ্ছে তাই করতে পারছে না। আমরা উঠে গেলে বেসরকারি কোম্পানি তারা ইচ্ছামত গ্রাহকদের কাছে মূল্য নির্ধারণ করবে তাতে করে গ্রাহক হয়রানি বাড়ার সম্ভাবনা থাকবে। এজন্য আমরা চেষ্টায় আছি এই পরিস্থিতি থেকে কাটিয়ে ওঠার।


প্রকাশিত: December 5, 2025 | সময়: 9:41 am | সুমন শেখ