বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
গোমস্তাপুর প্রতিনিধি: জুলাই আগস্টের ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ হয়ে গত বছরের ৯ আগস্ট নিহত শহীদ তারেকের ১ম মৃত্যু বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। শনিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার চৌডালা ইউনিয়নের দক্ষিণ ইসলামপুরে তার গ্রামের বাড়িতে কোরআনখানি, কবর জিয়ারত ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে তার পিতা আসাদুল ইসলাম সহ তার পরিবারের সদস্য, আত্মীয় স্বজন ও প্রতিবেশীরা উপস্থিত ছিলেন।
শহীদ তারিক হোসেন (১৮) গত বছরের ৫ আগস্ট ঢাকার শেরেবাংলা নগর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন। ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ৪ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গতবছরের ৯ আগস্ট তিনি মারা যান। পরের দিন ১০ আগস্ট তাকে গ্রামের বাড়ি উপজেলার চৌডালা ইউনিয়নে দক্ষিণ ইসলামপুর গ্রামে মহানন্দা নদীর তীরে তাকে দাফন করা হয়। সেদিনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে শহীদ তারেকের পিতা আসাদুল ইসলাম কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়ায় পরিবার-পরিজন নিয়ে ঢাকায় পাড়ি জমান তিনি। ছোট ছেলে তারেককে নিয়ে একটি অস্থায়ী ফার্নিচারের দোকান চালু করেন তিনি। ঢাকায় আশ্রয় ও দোকান তৈরিতে সহায়তা করেন ঢাকায় কর্মরত এলাকার এক পুলিশ কর্মকর্তা। জুলাই-আগস্টের উত্তাল ওই দিনগুলোতে কাজের ফাঁকে ফাঁকে তারেক মিছিল -মিটিংগুলোতে অংশ নিত।
৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর বিকেলে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে যখন বিজয় মিছিল বের হয় তখন সে ঢাকার শেরেবাংলানগর এলাকায় বিজয় মিছিলে অংশ নিতে গেলে পুলিশের গুলিতে গুরুত্বর আহত হয়। তাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতবছরের ৯ আগস্ট সে মারা যায়।