, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ সরকারী গাড়ী চালক সমিতি রাজশাহী জেলা শাখার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের গাড়ী চালক সাইফুল ইসলামকে সভাপতি, পরিচালক স্বাস্থ্য কার্যালয়ের গাড়ী চালক ফজলুল হককে সহ-সভাপতি ও আই,এইচ,টি রাজশাহীর গাড়ী চালক সিরাজুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে মোট ২১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিকে একটি অংশ অবৈধ বলে দাবী করে এর বিরুদ্ধে নানা ধরনের প্রপাকান্ডা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এল.জি.ই.ডি এর গাড়ি চালক বশির উদ্দিন বলেন, তিনি বাংলাদেশ সরকারী গাড়ী চালক সমিতি রাজশাহী জেলা শাখার আহ্বায়ক হিসেবে অত্র সমিতির পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষে সভা ডাকেন। অত্র সভায় সমিতির সকল সদস্যকে আহ্বান করা হলেও শফিকুল ইসলাম অনুসারীরা অপর কমিটি তার ডাকে সাড়া না দিয়ে এবং কাউকে না জানিয়ে কারো সাথে আলোচনা না করে তারা এই কমিটি করেন বলে জানান বশির। অথচ শফিকুল ইসলাম সবাইকে নিয়ে এই কমিটি করেছেন বলে মিথ্যাচার করছেন বলে জানান তিনি।
বশির আরো বলেন, তারা যে কমিটি করেছেন তা সবাইকে নিয়ে একাধিকবার সভা করে এই কমিটি করেছেন। তাদের গঠনকৃত বর্তমান কমিটির আই,এইচ,টি রাজশাহীর গাড়ী চালক সিরাজুল ইসলামকে নিয়ে আরেক কমিটির সভাপতি শফিকুল ইসলাম মিথ্যাচার করছেন। তিনি বলে বেড়াচ্ছেন সিরাজুল অনেক আগে রেলওয়ের জায়গায় নির্মাণকৃত সমিতির কার্যালয়ে থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। ঐ কার্যালয় বিগত সাত থেকে আট বছর পূর্বে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ভেঙ্গে দিয়েছিলো। ঐ কার্যালয়ে বিভিন্ন মালামাল তিনি নাকী বিক্রি করে টাকা নিয়ে নিয়েছেন।
প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে ঐ সময়ের কমিটিতে শফিকুল ইসলাম নিজেই ছিলেন অর্থ সম্পাদক। তার নিকট অর্থ ও অন্যান্য দলিল দস্তাদিসহ সব কিছুই তার নিকটে রক্ষিত ছিলো। তার নিকট সদস্যদের মাসিক চাঁদা ও অন্যান্য অনুদান সব কিছুই তার নিকট ছিলো। তিনি অত্র কার্যালয় ভাঙ্গার প্রায় দেড় মাস পূর্বে থেকে কার্যালয়ে আর আসেন নি এবং এখন পর্যন্ত কোন হিসাব নিকাশ দেননি। তার অপকর্ম ঢাকতে তিনি অপরের উপরে দোষ চাপাচ্ছেন বলে জানান বশির।
এ বিষয়ে জানতে সিরাজুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, রাজশাহী টুলটুলি পাড়ায় রেলওয়ের জায়গায় প্রায় দশ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সমিতির কার্যালয় করেন। এর মধ্যে তার নিজস্ব টাকা ও শ্রম রয়েছে। তাহলে আমি কিভাবে এখান থেকে টাকা আত্মসাৎ করবো। টাকা যদি আত্মসাৎ করে থাকে তাহলে অর্থ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম করেছেন। তিনি এই মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সেইসাথে এই মিথ্যাচারের পক্ষে কোন প্রকার কাগজপত্র যদি না দেখাতে পারেন তাহলে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন কবরেন বলে জানান সিরাজুল ইসলাম। বাংলাদেশ সরকারের সকল গাড়ীচালকগণ, যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসেন, তখন সরকারী নিয়মকাকুন মেনে চলেন। কারণ গাড়ী চালক সমিতি একটি অরাজনৈকি সংগঠন। অতএব গাড়ী চালকগণকে দলীয়করণ করার কোন সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে শফিকুল ইসলাম এর নিকট জানতে চাইলে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা দাবী করে বলেন, তার নিকট কোন টাকা নাই। এজন্য তিনি কোন টাকা আত্মসাৎ করেনি।