, , ।
স্টাফ রিপোর্টার, বাগমারা: রাজশাহীর বাগমারায় ভবানীগঞ্জ পৌরসভার কসবা কবিরাজ পাড়া জামে মসজিদের ভুয়া কমিটি তৈরী করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে একই মহল্লার আব্দুল করিম সোনার সহ তার লোকজনের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় কমিটির সদস্য গোলাম হোসেন বাদী হয়ে আব্দুল করিম সহ তিন জনের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। তবে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আব্দুল করিম সোনার।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরের লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভবানীগঞ্জ পৌরসভার কসবা কবিরাজ পাড়া জামে মসজিদটি ৪৮ ঘরের সমাজ দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে। মসজিদটি পরিচালনার জন্য দুই বছর পর পর নতুন কমিটি তৈরী করা হয়। ওই কমিটিতে ১১ জন ব্যক্তি পরিচালনা পরিষদের সদস্য হন। কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে গত ২৪ সালের মার্চ মাসে সমাজ পতিদের না জানিয়ে আব্দুল করিম সোনার তার নিজস্ব ব্যক্তিদেরকে দিয়ে এক কমিটি তৈরী করেন।
কমিটির সদস্যদের না জানিয়ে নিজের ইচ্ছেমত রেজুলেশন করে পূর্বের কমিটি বাতিল দেখিয়ে ব্যাংক থেকে মসজিদের টাকা তুলে আত্মসাত করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে উক্ত কমিটির সদস্য গোলাম হোসন বাদী হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
গোলাম হোসেন অভিযোগ করে বলেন, পূর্বের কমিটি দ্বারা মসজিদটি ভাল ভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। ওই সময় মসজিদের ব্যাংক হিসেবে কিছু টাকা ছিল। কিন্তু চালাক আব্দুল করিম সোনার কাউকে না জানিয়ে নিজের মনগড়া ভাবে কমিটি তৈরী করে ইচ্ছে মত ব্যাংক থেকে মসজিদের টাকাগুলো উত্তোলন করে আত্মসাত করেছেন। আমাকে না জানিয়ে আব্দুল করিম সোনার মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য বানিয়েছে। সে আমাদের না জানিয়ে সবার স্বাক্ষর জাল করে তিনি ব্যাংক থেকে মসজিদের সরকারী ও ধর্মীয় সভার দানের টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেছেন। তিনি এর সুষ্ট বিচার চান। মসজিদের টাকা মসজিদের হিসেবে জমা দানের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আব্দুল করিমের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা। তিনি কোন মসজিদের টাকা আত্মসাত করেন নাই। এছাড়াও মসজিদের সভা ডাকা হলে তারা কখনই সভাতে উপস্থিত থাকেন না বলে তিনিও উল্টো অভিযোগ তুলেন।
অপর দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন।