, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।
বাণীতে রাসিক প্রশাসক বলেন, ‘৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬। বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় দিন। আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পতন ও ছাত্র-জনতার বিজয়ের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি। দিবসটি উপলক্ষে আমি প্রিয় রাজশাহী মহানগরবাসীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। এই তাৎপর্যপূর্ণ দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের, যাঁদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ, অদম্য সাহস ও দেশপ্রেম জাতিকে অন্যায়, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে অনুপ্রাণিত করেছে। তাঁদের আত্মদান আমাদের জাতীয় ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। একই সঙ্গে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতসহ সকল জুলাই যোদ্ধার প্রতি সম্মান জানাই এবং তাঁদের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করি। তাঁদের ত্যাগ ও অবদান জাতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের শিখিয়েছেন, জনগণের অধিকার, ন্যায়বিচার, সুশাসন, জবাবদিহিতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ জাতির শক্তিই সবচেয়ে বড় শক্তি। এই চেতনা ধারণ করেই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে কাজ করে যাচ্ছে বর্তমান সরকার।
আসুন, এই মহান দিবসে আমরা সবাই ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জনগণের কল্যাণে নিজেদের নিবেদিত করি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা হোক আমাদের অঙ্গীকার।’
রাজশাহী জেলা পরিষদ প্রশাসক: ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে রাজশাহীবাসীসহ সমগ্র দেশবাসীকে বিপ্লবী শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোঃ এরশাদ আলী (ঈশা)।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের জাতীয় জীবনের এক ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় অধ্যায়। জনগণের অধিকার, ন্যায়বিচার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মর জন্য একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশায় যারা আত্মত্যাগ করেছেন, আমি তাঁদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। একই সাথে, এ আন্দোলনে আহত, ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রতিটি সংগ্রামী রাজপথের যোদ্ধার প্রতি জানাচ্ছি গভীর সমবেদনা ও শ্রদ্ধা।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, “একটি জাতির মূল চালিকাশক্তি নিহিত থাকে জনগণের ঐক্য, দেশপ্রেম ও অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের শিখিয়েছে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকলে যেকোনো অন্যায় ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব।”
জেলা পরিষদ প্রশাসক বলেন, “একটি উন্নত, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমাদের প্রত্যেককে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে সততা, নিষ্ঠা, জবাবদিহিতা ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তরুণ ও নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম, নাগরিক দায়িত্ব এবং গণতান্ত্রিক চর্চা জাগ্রত করার মাধ্যমেই আমরা একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ নির্মাণ করতে পারব।”
বাণীর শেষে তিনি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা আমাদের নতুন প্রেরণা জোগাক। আসুন, এই ঐতিহাসিক দিবসে আমরা সবাই দেশ ও জনগণের কল্যাণে আত্মনিয়োগের নতুন অঙ্গীকার করি।”
পরিশেষে, রাজশাহী জেলা পরিষদ প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোঃ এরশাদ আলী (ঈশা) দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং সার্বিক কল্যাণ কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা জানান।