, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মহানগরীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়েছে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম-এর ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী। এ উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে মালোপাড়া দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় রাজশাহী মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে।
এ উপলক্ষে শনিবার সকাল সাড়ে ৭টায় রাজশাহী মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে মহানগর বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয় এবং কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে কালো ব্যাজ ধারণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ইশা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ মামুন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল হুদা, সহ-সভাপতি ওয়ালিউল হক রানা, মুক্তার হোসেন, জয়নাল আবেদীন শিবলীসহ বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শ, দেশগঠন ও উন্নয়নে তাঁর অনন্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং তাঁর সহধর্মিণী আপোসহীন দেশনেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম-এর রেখে যাওয়া আদর্শকে ধারণ করে তাঁর জ্যেষ্ঠপুত্র, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধ, উন্নত, মানবিক ও গণতান্ত্রিক নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এরপরে আলোচনা সভায় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ভারত-পাকিস্তানের মতো টেবিলে বসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়নি। সৎ ও সাহসী বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দুপুরে এ আলোচনা সভা প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের সবচেয়ে বড় অলংকার হলো সততা। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের শাসনামলে দলের অসংখ্য নেতাকর্মী অত্যাচার-নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। অনেকেই বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছেন, মাসের পর মাস পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন জীবন কাটিয়েছেন। আবার অনেক নেতাকর্মীকে কারাবরণ করতে হয়েছে। এসব ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাসকে ধারণ করে বিএনপিকে আরও শক্তিশালী সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, ব্যক্তিগত বা সাংগঠনিক ভেদাভেদ ভুলে দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দলের প্রতিটি স্তরের নেতাকর্মীকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
রাজশাহী নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভার আয়োজন করে রাজশাহী জেলা বিএনপি। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ এমপি, বিএনপির বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সহ-সম্পাদক শফিকুল হক মিলন এমপি এবং নজরুল ইসলাম মণ্ডল এমপি।
আলোচনা সভায় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবন, স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা এবং দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। এছাড়া তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
বইমেলা ও রক্তদান: মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম-এর ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীতে বইমেলা ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১১টায় নগরীর ভুবন মোহন পার্কে জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের উদ্যোগে আয়োজিত বইমেলা এবং রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের উদ্যোগে পরিচালিত স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। উদ্বোধন শেষে অতিথিরা বইমেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং আয়োজকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় বক্তব্যে বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবন, স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর অবদান এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা নতুন প্রজন্মের কাছে জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও কর্মজীবন পৌঁছে দিতে বইমেলার মতো আয়োজনের গুরুত্বের কথাও উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী বিভাগ) অ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহীন শওকত, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন-অর-রশিদ মামুন, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল হুদা, সহ-সভাপতি ওয়ালিউল হক রানা, রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিন রায়হান রবিন এবং সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমন। এছাড়াও বিএনপির বিভিন্ন ওয়ার্ড, থানা, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। বইমেলায় জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও রাজনৈতিক দর্শন বিষয়ক বিভিন্ন বই প্রদর্শন ও বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়। একই সঙ্গে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক ছাত্রদল ও বিএনপির নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
কাশিয়াডাঙ্গা থানা বিএনপি: মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে কাশিয়াডাঙ্গা থানা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় নগরীর কোর্ট ঢালান মোড়ে বিএনপির কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর অবদান, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে তাঁর অবিস্মরণীয় অবদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ওয়ালিউল হক রানা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কাশিয়াডাঙ্গা থানা শ্রমিক দলের সভাপতি মো. আলহাজ সুমন আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক ভুট্টু, ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক যুবদল সভাপতি মো. মজিদ আলী, বিএনপির সদস্য আজগর আলী, ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. কুতুব আলী, কাশিয়াডাঙ্গা থানা বিএনপির সদস্য খাজা নূর এবং মহিলা দলের সম্পাদিকা মোছা. মনোয়ারা বেগম।
এ সময় দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন রাজশাহী কোর্ট জামে মসজিদ-ই-নূরের ইমাম মাওলানা নওশাদ। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়াও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রতীক। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁরা জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের আত্মার মাগফিরাত কামনা, দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকার জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
রাজপাড়া থানা: নগরের লক্ষ্মীপুর মোড়ে রাজপাড়া থানা বিএনপির উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক জীবন, স্বাধীনতা সংগ্রামে তার অবদান এবং দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সুসংহত করতে তার ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন-অর-রশিদ মামুন, রাজপাড়া থানা বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, রাজপাড়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলামসহ থানা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। এছাড়াও বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
এ সময় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার আদর্শকে ধারণ করে জনগণের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
পরে অসহায়, দরিদ্র ও দুস্থ মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। খাদ্যসামগ্রী পেয়ে উপকারভোগীরা আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে রাজপাড়া থানা বিএনপি দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে বলে নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন।
মহানগর ছাত্রদল: রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের উদ্যোগে দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩০ মে) দুপুরে নগরীর ভুবন মোহন পার্কে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।
এ সময় তিনি দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করেন এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবনাদর্শ, দেশপ্রেম, নেতৃত্বগুণ ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান মানুষের কল্যাণে কাজ করার যে আদর্শ রেখে গেছেন, তা অনুসরণ করে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন-অর-রশিদ মামুন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাকিন রায়হান রবিন, সদস্য সচিব এমদাদুল হক লিমন এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ আবির।
এছাড়া বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন। কর্মসূচিতে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয় এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
আয়োজকরা জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে মানবকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় থেকেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মোহনপুর: শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন আপসহীন নেতা, গণমানুষের নেতা এবং জাতির স্বপ্ন বাস্তবায়নের কারিগর বলে মন্তব্য করেছেন পবা-মোহনপুরের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন। শনিবার দুপুরে মোহনপুর উপজেলা চত্বরে মোহনপুর উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেন, জিয়াউর রহমান আজীবন আপসহীন থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন এবং কখনো জাতির সঙ্গে মুনাফেকি বা বেইমানি করেননি। তাঁর প্রণীত বৈপ্লবিক ১৯ দফা কর্মসূচি সে সময় দেশের মানুষের কাছে ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছিল। তিনি সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামিমুল ইসলাম মুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুস সামাদ, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আর রশিদ, জেলা মহিলা দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট সামসাদ বেগম মিতালী, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা রুমেনা ইসলাম, বিএনপি নেতা আব্দুল কাদের, পৌরসভা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক খুশবুর রহমান, কৃষক দলের আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা বাবলু, সদস্য সচিব মতিউর রহমান, সাবেক উপাধ্যক্ষ মুকবুল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মোজাম্মেল হক, উপজেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক মৌটুসী, যুগ্ম আহ্বায়ক বেলী, সদস্য সচিব ববিতা এবং হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য ফ্রন্টের সভাপতি রামকৃষ্ণ কুমার। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন যুবনেতা মির্জা শওকত, আব্দুর রহিম, নাহিদ পারভেজ হিমু, ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাকিবুল হাসান লিটন, মাহমুদুল হাসান রুবেল, ইউনিয়ন সভাপতি ইলিয়াস আলী, সাধারণ সম্পাদক মুখলেসুর রহমান, আব্দুল মালেক, আনছার আলী, রুস্তম আলী, রেজাউল ইসলাম, নুরে আলম সিদ্দিকী মুকুল, ইউনুস আলী, আলামীন, উজ্জ্বল হোসেন, জিল্লুর রহমান ও তাজউদ্দীন আহমদসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
যুবদল: নগরীতে ৮নম্বর ওয়ার্ড যুবদল এর উদ্যেগে দোয়া ও খাবার বিতরণ করা হয় । সোমবার দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে নগরীর ৮নং ওয়ার্ড কাজিহাটায় যুবদলের উদ্যেগে এই আয়োজন করা হয়। দোয়া ও খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সহ-সভাপতি ওয়ালিউল হক রানা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ শরিফুল ইসলাম জনি, সদস্য সচিব মোঃ রফিকুল ইসলাম রবি, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি মোঃ রতন আলী, সাধারণ সম্পাদক মুইদ, রাজশাহী মহানগর যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ কামরুজ্জামান মিলন, সোহেল রানা, মহানগর যুবদলের সদস্য মুজিবুল হক মিলন, সারওয়ার পারভেজ রকি, নীরব খাঁন তারেক, আকলেছুর রহমান সাজিম, তানভির আহম্মেদ ফিরোজ,রাজপাড়া থানা যুবদলের মশিউর রহমান হৃদয়, ওয়াসিম আলীসহ যুবদল মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ দোয়া ও খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে করেন যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ নজরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন ৮নং ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ খালিদ, মহানগর বিএনপি নেতা ফরিদ হোসেন রবিউল, ৮নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন বিএনপি নেতা শরিফুল ইসলাম ফায়ারিং, ৪নং ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক সিহাব, বিএনপি নেতা মোঃ আলাল উদ্দিন, যুবদলের রাজশাহী মহানগর ও রাজপাড়া থানা এবং ৮নং ওয়ার্ড যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
আত্রাই: উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। আত্রাই উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল চকলেট-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য,আত্রাই উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজু। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের দিশারী, যার আদর্শ ও চেতনা এদেশের মাটি থেকে মুছে ফেলা অসম্ভব। আজকের দিনে আমাদের মূল দায়িত্ব হলো তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। আসুন, সকল ভেদাভেদ ভুলে শহীদ জিয়ার সুমহান আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আমরা দেশ ও জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করি।
উক্ত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, আত্রাই উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ফারুক বখৎ, সাধারণ সম্পাদক তসলিম উদ্দিন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক ও কামরুল হাসান সাগর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা মোজাম্মেল হক, আত্রাই উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক খোরশেদ আলমসহ উপজেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ। আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
ভোলাহাট: বিকেলে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন ভোলাহাট উপজেলা শাখা এ কর্মসূচির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য ছিল ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশের রূপকার জিয়াউর রহমান’। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সহসম্পাদক আমিনুল ইসলাম। উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহতাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী কায়সার আহমেদের সঞ্চালনায় রাখেন, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক আনারুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব দুরুল হোদা। উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও সাবেক গোহালবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের, গোমস্তাপুর উপজেলার আলীনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বর্তমান আলীনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মোহম্মদ মাসুম, বিএনপি জামবাড়ীয়া ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও জামবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আফাজ উদ্দিন পানু মিয়া,বিএনপি দলদলী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন ঠিকাদার,উপজেলা বিএনপির মহিলা নেত্রী ও সাবেক উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেশমাতুল আরশ রেখা, উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সেন্টু, বিএনপি নেতা গোহালবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রফিকুল ইসলাম রানা, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান মিজু, ভোলাহাট উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মুনসুর আলী, সাবেক জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান মানিক,সাবেক উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি আরাফাত রহমান সানিসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা। বক্তারা আলোচনা সভায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, দেশপ্রেম, স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্রগঠনে অবদান এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান শেষে প্রেসিডেন্ট জিয়ার রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপজেলা পর্যায়ের বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
বদলগাছী: নওগাঁর বদলগাছীতে দুস্থ, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলার চৌরাস্তার মোড় এলাকায় উপজেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল। এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
পরে চৌরাস্তার মোড় এলাকায় প্রায় সহস্রাধিক অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত পথচারীর মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। আয়োজকরা জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাঁর মানবকল্যাণমুখী আদর্শকে ধারণ করে সমাজে সহমর্মিতা, মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার চর্চা আরও শক্তিশালী করতেই এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
নিয়ামতপুর: জিয়াউর রহমান শুধু প্রেসিডেন্ট না, তিনি একটি আদর্শ। তিনি দেশের ক্লান্তিকালে, বাংলাদেশের যখন ক্লান্তিকাল, ১৯৭৪ সালে ভয়াবহ দুর্ভীক্ষ, সারা দেশে অন্যায় অত্যাচারে ভরপুর, আপনার আমার মেয়েরা, বোনেরা যখন স্কুলে যেতে পারে না, সারা দেশের ঘরে ঘরে চুরি ডাকাতি ছিনতাই হয়, এরকম বাংলাদেশের অরাজক পরিস্থিতি বাংলাদেশে ছিল স্বাধীনতার পরে। ১৯৭৬ সালে সিপাহী জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আমার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের দায়িত্বভার গ্রহন করতে হয়েছিল। দায়িত্বভার গ্রহনের সাথে সাথে সারা দেশের শান্তির পরিস্থিতি তৈরী হলো। দায়িত্বভার গ্রহনের পরেই কিভাবে দেশে শান্তি শৃংখলার উন্নতি করা যায়, কিভাবে দেশের উন্নয়ন করা যায় সেই কাজ শুরু করলেন। ৭৪ সালে দুর্ভীক্ষের এই বাংলাদেশে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের দায়িত্বভার গ্রহনের মাত্র তিন বছরের মাথায় ১৯৭৯ সালে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ কওে বিদেশে খাদ্য রপ্তানী করতে শুরু করে। ৩০ মে শনিবার বেলা ১১টায় নিয়ামতপুর সরকারী মডেল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া, মিলাদ ও আলোচনা সভায় ৪৬, নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইসাহাক আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও হাজিনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম ভিপি, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির বাচ্চু, রসুলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন টিটু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক মোকলেছুর রহমান। নওগাঁ জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও নিয়ামতপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জিএম কাউসারুল ইসলাম রতনের উপস্থাপনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নিয়াতমপুর সদর বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির আহাবয়ক কমিটির সদস্য আব্দুর রহমান, রসুলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আফাজ উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য সামাদ সোনার, আইনুর মেম্বর, পাড়ইল ইউপির বিএনপি নেতা আব্দুল মান্নান, উপজেলা কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জুম্মা রশীদ, শ্রীমন্তপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দিয়ানুদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহাবয়ক শহিদুল ইসলাম, বাহাদুরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন, দোলন সোনারসহ ৮টি ইউনিয়নের বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
পরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।