, , ।
স্টাফ রিপোর্টার, পুঠিয়া: খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিক্রিকে কেন্দ্র করে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুর ইউনিয়নে চাঁদা দাবির অভিযোগ ঘিরে তৈরি হয়েছে সন্দেহ ও উত্তেজনা। তবে অভিযুক্তদের পাল্টা দাবি, চাঁদা নয়, ডিলারের অনিয়মের প্রতিবাদ করতেই তারা সেখানে গিয়েছিলেন।
অভিযোগকারী খাদ্যবান্ধব ডিলার ওয়াহেদ আলী জানান, গত সোমবার বাশপুকুর বাজারে চাল বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিন ব্যক্তি, বাশপুকুর গ্রামের আসলামের ছেলে লিটন, মৃত আজিমুদ্দিনের ছেলে মোস্তাকিন এবং এছারের ছেলে আশরাফুল, তার কাছে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে বিক্রয় কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় বলে দাবি তাঁর। পরদিন, মঙ্গলবার তিনি বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
ডিলারের অভিযোগ পাওয়ার পর বেলপুকুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা দ্রুত সরে পড়েন বলে জানা গেছে।
যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত তিন জন। তাঁদের বক্তব্য, ডিলারের বিরুদ্ধে ওজনে কম দেওয়া ও স্বজনপ্রীতির মতো একাধিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সেই কারণেই প্রতিবাদ জানাতে তারা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। চাঁদা দাবির অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলেই দাবি তাঁদের।
ঘটনা ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা উদঘাটন করা জরুরি, নইলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।
এ বিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত সালমান জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।