, , ।
ঈশ্বরদী প্রতিনিধি: ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের জয়নগরে অবস্থিত তামান্না ফিলিং স্টেশনে তেল নেওয়ার সময় তর্ক-বিতর্কের জের ধরে রবিন হোসেন (৩০) নামের এক যুবককে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে ফিলিং স্টেশনের মালিক সহ তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় ঈশ্বরদী থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন আহত ওই যুবক রবিন হোসেন। রোববার বেলা ১১ টার সময় তামান্না ফিলিং স্টেশন চত্বরে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনা তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।
লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, রোববার বেলা ১১টার সময় জয়নগর মধ্যপাড়া গ্রামের শাজাহান আলীর ছেলে রবিন হোসেন (৩০) তার মোটরসাইকেল নিয়ে তামান্না ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে যায়। সে সময় অন্যান্য মোটরসাইকেল আরোহীদের ১০০০ টাকার তেল দিলেও রবিনকে মাত্র ৫০০ টাকার তেল দেয়। এতে রবিন প্রতিবাদ করলে তর্ক-বিতর্ক বেঁধে যায়।
এক পর্যায়ে পাম্পের কর্মচারীরা রবিনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। পরে ফিলিং স্টেশনের মালিক আব্দুল খালেক খাঁনের নেতৃত্বে ও নির্দেশে তার সহযোগী মাসুম (৩৭), মামুন (৩৩), মাহমুদ (৩৬) একত্রিত হয়ে রবিনের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। সে সময় বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে রবিনের শরীরের বিভিন্ন স্থালে রক্তাত্ত জখম করে। সে সময় রবিনের ডাক চিৎকারে তার স্ত্রী জেরিন আক্তার ইতি (২৩) ও চাচি মর্জিনা খাতুন এগিয়ে এলে তাদেরও চড়-থাপ্পর ও কিল-ঘুষি মেরে আহত করে। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসী মাসুম রবিনের স্ত্রীর পড়নের জামা-কাপড় ছিড়ে শ্লীলতাহানী করে।
এক পর্যায়ের স্থানীয়রা এগিয়ে এলে রবিনকে নানা ধরণের হুমকি-ধামকি দিয়ে ছেড়ে দেয়। সে সময় আহত রবিনকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে খালেক খাঁনকে প্রধান আসামী করে ঈশ্বরদী থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন আহত রবিন হোসেন। এবিষয়ে অভিযুক্ত তামান্না ফিলিং স্টেশনের মালিক আব্দুল খালেক খাঁনের বক্তব্য জানতে একাধিক বার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।
ঈশ্বরদী থানার ওসি তদন্ত জামাল উদ্দিন বলেন, তেল দেয়াকে কেন্দ্র করে তামান্না ফিলিং স্টেশনে এক যুবককে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার বিষয়ে লিখিত এজাহার পেয়েছি। তদন্ত করে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।