, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীতে চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে বিজয়ের প্রত্যাশায় আদাজল খেয়ে অনেকটা কোমরবেধে গণসংযোগ করে যাচ্ছেন। একদিন পরেই অনুষ্ঠিত হবে ব্যবসায়ীদের এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। ব্যবসায়ীরা দু’টি প্যানেলে বিভক্ত হয়ে নির্বাচন করলেও এখানে সভাপতি পদে স্বতন্ত্রপ্রার্থী রয়েছে।
দু’টি প্যানেলের মধ্যে রয়েছে-সম্মিলিত ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদ রাজশাহী-এর খোকন-শান্ত-প্রিন্স ‘ক’ প্যানেল ও হাসেন আলী সমর্থিত ব্যবসায়ী পরিষদ ‘খ’ প্যানেল। এছাড়াও সভাপতিপদে মাঠে রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল আওয়াল খান চৌধুরী জ্যোতি। সম্মিলিত ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদ রাজশাহী-এর খোকন-শান্ত-প্রিন্স ‘ক’ প্যানেল সভাপতিপদে রয়েছেন খন্দকার মিজানুর রহমান ও হাসেন আলী সমর্থিত ব্যবসায়ী পরিষদ ‘খ’ প্যানেলে সভাপতিপদে রয়েছেন হাসেন আলী।
দিন ঘনিয়ে আসছে চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। আর একদিন পর আগামী ১৫ জানুয়ারী এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নিয়ে রাজশাহীর ব্যবসায়ীদের মাঝে বিরাজ করছে উৎসাহ-উদ্দীপনা। প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরাও কোমর বেধে ভোটের মাঠে নেমেছেন। এছাড়াও মোবাইল হোয়াটনঅ্যাপ তো আছেই। চলছে জেলার বিভিন্ন উপজেলার ব্যবসায়ীদের সাথে গণসংযোগ। সবমিলিয়ে ভোটার-প্রার্থী ও প্রার্থী সমর্থক ব্যবসায়ীরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নিজেদের প্রতিনিধির বিজয় নিশ্চিত করতে। চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। কাকে কাকে ভোট দিলে কাজ হবে আবার কাকে দিলে কাজ হবে না-ব্যবসায়ীদের চায়ের কাপে কাপে এমন মন্তব্য চলছে জোরেশোরেই। আবার ভোটাররাও একে-অপরের সাথে এ বিষয়ে মতামত চালিয়ে যাচ্ছেন। নিজেদের প্রত্যাশাপূরণ ও সার্বিক সহযোগিতা কামনা করে প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রার্থীরা নিজ নিজ প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।
নগরীর সাহেববাজার এলাকায় প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিষ্ঠান গণসংযোগ করেন হাসেন আলী সমর্থিত ব্যবসায়ী পরিষদ ‘খ’ প্যানেলে সভাপতিপদে রয়েছেন হাসেন আলী। এ সময় তাঁর সাথে ছিলেন পরিচালক সাইফুল ইসলাম হীরক, এ জে এম জান্নাতুল ইসলাম শওকত, প্রধান সমন্বয়ক আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।
এদিকে গতকাল সোমবার সম্মিলিত ব্যবসায়ী কল্যাণ পরিষদ রাজশাহী-এর খোকন-শান্ত-প্রিন্স ‘ক’ প্যানেল সভাপতিপদের প্রার্থী খন্দকার মিজানুর রহমানসহ প্যানেলের প্রার্থীরা খন্ড খন্ডভাবে ভাগ হয়ে নগরী ও বিভিন্ন উপজেলায় ব্যবসায়ীদের মাঝে গণসংযোগ করে জোরেশোরে ভোটের প্রচারনা চালিয়েছেন। এদিন দুপুরে লক্ষ্মীপুর ফামের্সী ব্যবসায়ীদের মাঝে ‘ক’ প্যানেলের লিফলেট বিতরণসহ গণসংযোগ করেন সভাপতিপদের প্রার্থী খন্দকার মিজানুর রহমান, ওই প্যানেলের সিনিয়র সহসভাপতি শামসুর রহমান শান্তন ও সহসভাপতি পদের প্রার্থী একেএম সারওয়ার জাহান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পচিালক পদের মো. রেজাউল করিম, মো. ফরহাদ হোসেন, হাসিবুল আলম, শাহ মো. মইনুল হোসেন, শেখ সেলিম আহমেদ প্রমুখ।
অপরদিকে এদিন নগরীর কোর্ট এলাকার ব্যবসায়ীদের মাঝে গণসংযোগ করেন সভাপতিপদে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল আওয়াল খান চৌধুরী জ্যোতি। এসময় তাঁর সাথে ছিলেন ব্যবসায়ী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, খন্দকার এনায়েত হোসেন, কাজী সাহাবুদ্দীন, হাবিবুর রহমান, মামেদুন নবী মাসুদ প্রমুখ।
স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল আওয়াল খান চৌধুরী জ্যোতি বলেন, তিনি কোন প্যালেন ভিত্তিক নির্বাচনে আস্থাশীল নন। ব্যবসায়ী অভিজ্ঞতা থেকে বলছি-প্যানেলে বিজয়ী হলেও কারও মন জয় করা সম্ভব হয় না। আবার প্যানেলের বাইরের সদস্যরা অযথা মনে করেন নিজ প্যানেলের ব্যক্তিরা বেশী গুরুত্ব পাচ্ছে এবং অন্যরা বঞ্চিত হচ্ছেন-এমন নানাদিক চিন্তা করেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছি। তিনি সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন।