, , ।
হাফিজুর রহমান, টাঙ্গাইল :
টাঙ্গাইল জেলায় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে ৪৬টি খুন হয়েছে।
এসব মামলায় এজাহারনামীয় ১৬৫ জন আসামির মধ্যে ৭৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সুনির্দিষ্টভাবে চাঁদাবাজির কোনো মামলা করা হয়নি। সামাজিক অবক্ষয় ও খুনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করছে বসবাসকারীরা।
অপরাধ দমনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে আরো তৎপর হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।
সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় ১৩টি থানা রয়েছে। ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত দায়েরকৃত খুনের মামলাগুলোয় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর মধ্যে টাঙ্গাইল সদর থানার ৯টি হত্যা মামলায় ১৫ জন আসামির মধ্যে ৯ জন, দেলদুয়ারে তিনটি হত্যা মামলায় ২০ জন আসামির মধ্যে চারজন, গোপালপুরে দুটি হত্যা মামলায় ১০ আসামির মধ্যে একজন, ঘাটাইলে চারটি হত্যা মামলায় আটজন আসামির মধ্যে ছয়জন, মির্জাপুরে আটটি হত্যা মামলায় ২৮ জন আসামির মধ্যে ১২ জন, নাগরপুরে তিনটি হত্যা মামলায় ১৬ জন আসামির মধ্যে ৯ জন, সখিপুরে চারটি হত্যা মামলায় সাতজন আসামির মধ্যে পাঁচজন, বাসাইলে একটি হত্যা মামলায় ছয়জন আসামির মধ্যে দুজন, কালিহাতীতে পাঁচটি হত্যা মামলায় আটজন আসামির মধ্যে ছয়জন, মধুপুরে পাঁচটি হত্যা মামলায় ৩৪ জন আসামির মধ্যে ১৪ জন এবং ধনবাড়ীতে দুটি হত্যা মামলায় ১৩ জন আসামির মধ্যে পাঁচজন গ্রেপ্তার হয়েছে।
এ ছাড়া ভূঞাপুর এবং যমুনা সেতু পূর্ব থানায় উল্লিখিত সময়ের মধ্যে কোনো হত্যা মামলা সংঘটিত হয়নি।
সম্প্রতি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ত্রিভুজ পরকীয়া প্রেমে এক প্রেমিকের হাতে আরেক প্রবাসী প্রেমিক ফিরোজ মিয়া, মধুপুরে টাকার জন্য মাদকাসক্ত ছেলের হাতে মা রাজিয়া বেগম খুন এবং গোপালপুরে চালক বেল্লাল হোসেনকে খুন করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছিনতাই হয়েছে। এসব ঘটনা সমাজ ও নাগরিক জীবনে প্রভাব পড়ছে।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী শাহনেওয়াজ এই প্রতিবেদক কে বলেন, জেলার বেশির ভাগ হত্যা জমি-জমা এবং পারিবারিক-সামাজিক বিরোধে হয়েছে।
তবে অপরাধ দমন এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সদা তৎপর রয়েছে।
সানশাইন /শামি