, , ।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহত স্কোয়াড্রন লিডার তৌকির ইসলাম সাগরের লাশ মঙ্গলবার রাজশাহী এসে পৌঁছালে হৃদয় বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আত্মীয়-স্বজন ও উপস্থিত মানুষের মধ্যে কান্নায় আশেপাশের পরিবেশ ভারি হয়ে উঠে। কেউ কেউ হতভম্ব হয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে আছেন ‘আশ্রয়’ নামের সেই বাসার সামনে।
বিধ্বস্ত বিমানের নিহত পাইলট তৌকির ইসলামের জানাজা ঢাকা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার পর লাশ হেলিকপ্টারে নেয়া হয় রাজশাহীতে। বিকেলে দ্বিতীয় জানাজা শেষে নগরীর সপুরা গোরস্তানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
এদিকে তৌকিরের মৃত্যুতে শোকের আবহ বিরাজ করছে রাজশাহী নগরীজুড়ে। সকাল থেকেই ভাড়া বাসায় ভিড় জমাতে শুরু করেছেন স্বজনরা। তৌকিরের বন্ধু-বান্ধবসহ পরিচিতরা তার রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন। জেলা প্রশাসন, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন দোয়ার আয়োজন করেছে।
রাজশাহী নগরের উপশহরের ৩ নম্বর সেক্টরের ২২৩ নম্বর বাড়িটিতে ভাড়া থাকেন তৌকিরের বাবা তহুরুল ইসলাম, মা সালেহা খাতুন এবং ছোট বোন সৃষ্টি খাতুন। আশেপাশের মানুষ জানান, এই পরিবার অত্যন্ত মিশুক। তৌকির ছিলেন ভদ্র ও মেধাবী তরুণ।
তৌকির রাজশাহীর গভ. ল্যাবরেটরি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে পাবনা ক্যাডেট কলেজে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হন। তিনি ওই কলেজের ৩৪তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। ২০১৬ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে তৌকির যোগ দেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে।