সর্বশেষ সংবাদ :

হেলেনাবাদ-১ স্কুলের প্রধান শিক্ষকের পক্ষে শতাধিক অভিভাবকের সাক্ষরে আবেদন

স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহী মহানগরীর হেলানাবাদ-১ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পক্ষে এবার অভিভাবকরা বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন জানিয়েছেন। প্রধান শিক্ষক প্রতিহিংসার শিকার উল্লেখ করে শতাধিক অভিভাবকের সাক্ষরিত আবেদন রাজশাহী জেলা প্রশাসক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও বোয়ালিয়া থানা শিক্ষা অফিস বরাবর প্রদান করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে অভিভাবকরা এ আবেদন করেন।
আবেদনে উল্লেখ্য করা হয়েছে, আমরা অভিভাবকরা দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে, কতিপয় অভিভাবক কারো প্ররোচনায় কিছু না বুঝে যাচাই-বাছাই ছাড়াই হেলেনাবাদ-১ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুস সামাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রনোদিতভাবে কিছু মিথ্যা, বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে বোয়ালিয়া থানা শিক্ষা অফিস ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে দাখিল করেন। তার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক তার কোচিং এ পড়ানোর জন্য অভিভাবকদের চাপ প্রয়োগ, তার কোচিং এ না পড়লে পরীক্ষার খাতায় কম নম্বর দেয়া, শিক্ষক, দপ্তরীর সাথে খারাপ আচরণ, ৫ম শ্রেণির ইংরেজি প্রশ্নপত্র আংশিক পরিবর্তন করাসহ বেশ কিছু নামসর্বস্ব অভিযোগ করা হয়েছে। বেনামে এ অভিযোগ কতটা যুুক্তিযুক্ত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ভাবা দরকার।
আরো উল্লেখ করা হয়েছে, আব্দুস সামাদ হেলেনাবাদ-১ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দায়িত্ব নেয়ার পর বিদ্যালয়ের পরিবেশ সুন্দর ও সুশৃঙ্খল হয়েছে। পূর্বে শ্রেণি পাঠদান ঠিকমত হতো না। বর্তমানে তার তত্ত্বাবধানে শ্রেণি পাঠদান ভালো হচ্ছে। তিনি নিজে ক্লাস নেন। অন্য শিক্ষকরা স্কুলে না এলে তাদেরও ক্লাস নেন প্রধান শিক্ষক। শুধু তাই নয়, শিক্ষার্থীদের প্রতি তিনি যত্নশীল ও শিক্ষা বান্ধব একজন শিক্ষক তিনি। তিনি বিদ্যালয়ের স্বার্থে ৫ম শ্রেণির ইংরেজি প্রশ্নপত্র আংশিক পরিবর্তন করেন। তিনি এ ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে লিখিতও দিয়েছেন বলে জানতে পারি। তিনি প্রতিহিংসার শিকার বলে অভিভাকরা দাবি করেছেন।
এব্যাপারে বোয়ালিয়া থানা শিক্ষা অফিসার মোখলেছুর রহমান জানান, হেলেনাবাদ-২ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সামাদের পক্ষে অভিভাকরা একটি আদেন জমা দিয়েছেন। আবেদনটি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে পাঠানো হবে।
উল্লেখ্য, গত ২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বর ৩য় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষার ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষার দিন অভিভাবকের তথ্যের ভিত্তিতে তিনি জানতে পারেন, ইংরেজি বিষয়ে পরীক্ষার আগের দিন প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। প্রশ্নগুলো শিক্ষার্থীর হাতে চলে গেছে। পরে তিনি ইংরেজি বিষয়ে প্রশ্নপত্র আংশিক পরিবর্তন করেন। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হলে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।


প্রকাশিত: May 13, 2025 | সময়: 4:12 am | সুমন শেখ

আরও খবর