, , ।
স্পোর্টস ডেস্ক: প্রচণ্ড তুষারপাতের কারণে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল ম্যাচ। এতেও অবশ্য খুব একটা লাভ হয়নি।
তীব্র ঠাণ্ডার মধ্যেই খেলতে হয়েছে ইন্টার মায়ামি ও স্পোর্টিং ক্যানসাস সিটিকে। তারপরও গোল খুঁজে নিয়েছেন লিওনেল মেসি। দলকে এনে দিয়েছেন জয়। কনকাক্যাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের ওপেনিং রাউন্ড সিরিজের প্রথম লেগে স্পোর্টিং ক্যানসাস সিটিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি। প্রথমার্ধে গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধের ৫৬তম মিনিটে একমাত্র গোলটি করেন মেসি।
ম্যাচের ৫৬তম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল বাড়ান সের্হিও বুসকেতস। বক্সের ভেতরে বুক দিয়ে সেটি থামিয়ে কয়েকজনকে কাটিয়ে জাল খুঁজে নেন মেসি। নতুন বছরে এটিই তার প্রথম গোল। আর ইন্টার মায়ামির এটিই নতুন বছরের প্রথম অফিসিয়াল জয়। মেসির এই গোলে গর্বিত মায়ামি কোচ মাসচেরানো। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে প্রশংসায় ভাসান তিনি। মায়ামি কোচ বলেন, ‘দুর্দান্ত গোল। অবশ্য যারা তাকে চেনেন, তাদের কাছে এটা সাধারণ ব্যাপার। কারণ, এরকম গোল সে হাজারটা করেছে। তার মতো একজনকে আমাদের দলে পেয়ে আমরা সৌভাগ্যবান। ’ ফিরতি লেগে আগামী মঙ্গলবার নিজেদের মাঠে খেলবে মায়ামি।
একুশে পদক গ্রহণ করল নারী ফুটবল দল
স্পোর্টস ডেস্ক: রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের হাতে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক তুলে দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ২০২৪ সালে দ্বিতীয়বারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জেতায় এই পুরস্কার পেয়েছে তারা।
এছাড়া ফুটবল খেলে সমাজ পরিবর্তনের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। প্রথমে নারী ফুটবল দলের ১১ জনকে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বাফুফে কোন ১১ জনকে পাঠাবে তা নিয়ে বিপাকে পড়েছিল। পরে বাফুফে দলের ৩২ সদস্যকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য অনুরোধ করে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে। শেষ পর্যন্ত ২৩ ফুটবলার ও কোচ-কর্মকর্তাসহ বাকি ৯ জনকে আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়েছে মন্ত্রণালয়। দলের পক্ষ থেকে পদক গ্রহণ করেন অধিনায়ক সাবিনা খাতুন ও সহ-অধিনায়ক মারিয়া মান্দা। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সর্বশেষ সাফজয়ী বাংলাদেশ নারী দলের অন্য ফুটবলাররাও।
গত বছরের অক্টোবরে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। যে দলে ছিলেন রুপনা চাকমা, ইয়ারজান বেগম, মিলি আক্তার, মাসুরা পারভীন, কোহাতি কিসকু, আফিদা খন্দকার, নিলুফা ইয়াসমিন, শামসুন্নাহার সিনিয়র, শিউলি আজিম, মনিকা চাকমা, মারিয়া মান্ডা, মুনকি আক্তার, স্বপ্না রানী, আইরিন আক্তার, মাতসুশিমা সুমাইয়া, শাহেদা আক্তার রিপা, ঋতুপর্ণা চাকমা, তহুরা খাতুন, শামসুন্নাহার জুনিয়র, সাবিনা খাতুন, কৃষ্ণা রানী সরকার, সানজিদা আক্তার ও মোসাম্মাৎ সাগরিকা।
এর আগে কোনো ক্রীড়া দল একুশে পদক পায়নি। সংস্থা হিসেবে ২০০১ সালে স্বাধীনতা পদক পেয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে স্বাধীনতা পদকের জন্য স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল অনেকবারই আবেদন করেছিল; কিন্তু তারা এখনো পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়নি।