, , ।
স্টাফ রিপোর্টার, বাঘা:
রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় ৭ টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে মেয়াদ উত্তীর্ণ ৪টি ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক ও সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে। বুধবার ১৮ ডিসেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ গুলোয় প্রশাসক ও সদস্যরা দায়িত্ব গ্রহন করেছেন। পরিষদ গুলোর মধ্যে রয়েছে-বাজুবাঘা, পাকুড়িয়া মনিগ্রাম ও গড়গড়ি ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে , স্থানীয় সরকার,পল্লী ও সমবায় মন্ত্রণালয়, রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যলয়, রাজশাহীর স্মারক নং-৭০০ এর মাধ্যমে গত ২৮ নভেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ উপযুক্ত বিষয় ও সূত্রোক্ত স্মারকের পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহী জেলাধীন বাঘা উপজেলার বাজুবাঘা, গড়গড়ি, পাকুড়িয়া ও মনিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদে নিম্নবর্ণিত সরকারী কর্মকর্তা/শিক্ষকদের প্রশাসক ও সদস্য নিয়োগের প্রশাসনিক অনুমোদন নির্দেশ বাস্তবায়ন করা হলো।
এদিকে এই আদেশে বাঘা উপজেলা নিবার্হী অফিসার শাম্মি আখতার বুধবার ১৮ ডিসেম্বর মেয়াদ উত্তীর্ন ৪টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও সদস্যরে দায়িত্ব দিয়েছেন। প্রশাসকেরা হলেন-বাজুবাঘা ইউনিয়ন, বাঘা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ব্যবস্থাপক মনিরুল ইসলাম, গড়গড়ি ইউনিয়ন বাঘা প্রোগ্রামার সহকারী এস এম জি আজম, পাকুড়িয়া ইউনিয়ন বাঘা উপজেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা মনসুর আলী, মনিগ্রাম ইউনিয়ন বাঘা উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাক্তার আমিনুল ইসলাম।
অপর দিকে সদস্যরা হলেন নিজ ইউনিয়নের ৪টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক-সহ ৫ জন সরকারী কর্মকর্তা। এই ৯ জন ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালন করবেন। গত ১০ ডিসেম্বর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় স্থানীয় সরকার বিভাগ ইউপি-১ শাখা উপসচিব পলিকর এই নিয়োগের আদেশ দেন।
বাঘা উপজেলা নিবার্হী অফিসার শাম্মি আখতার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ১৭ ডিসেম্বর রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যলয় থেকে মেয়াদ উত্তীর্ন বাঘা উপজেলা ৪টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও সদস্য নিয়োগের পরিপত্র গ্রহন করেছি। এরপর ১৮ ডিসেম্বর উক্ত আদেশ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে এলাকার লোকজন বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জনগণকে সেবা দেয়ার যে সমস্ত মাধ্যম রয়েছে তার মধ্যে একেবারে শেষ প্রান্তে ইউনিয়ন পরিষদ। আমরা নির্বাচিত জন প্রতিনিধিদের কাছে গিয়ে একটি জিনিষ চাইতে পারতাম।কিন্তু এখন বিষয়টা কোন পর্যায় দাড়াবে বুঝছি না। লোকজন কাংখিত সেবা পাবেন-কিনা সেটা নিয়েও অনেকে নানা মন্তব্য করেছেন। আবার কেউ-কেউ দাবি করেছেন, প্রশাসকের মাধ্যমে দুর্নীতি কমবে এবং তারা সঠিক ভাবে সেবা পাবেন।