, , ।
স্টাফ রিপোর্টার, গোদাগাড়ী: রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২২ জন মাদকসেবীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ২ জুলাই প্রেমতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এলাকার বিভিন্ন স্থানে এই অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়ে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় গোদাগাড়ী থানা পুলিশ গোদাগাড়ীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ২২জন মাদক কারবারি ও সেবনকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামীরা হলেন, গোদাগাড়ী পৌর এলাকার আরিজপুর গ্রামের মৃত আরশাদ আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম (৬৫), পৌর এলাকার রামনগর গ্রামের মৃত জমসেদ আলীর ছেলে একরামুল হক (৬৫) উপজেলার কাপাশিয়াপাড়া গ্রামের মৃত তৈমুর আলীর ছেলে বাসেদ (৩৮) ফরাদপুর গ্রামের মাইনুল শেখের ছেলে রাসেকুল ইসলাম, তালধরি গ্রামের আরশাদ আলীর ছেলে মাহাবুল ইসলাম বিদ্যুৎ, পিরিজপুর এলাকার মৃত্যু হাসগর আলীর ছেলে জামাল, কাদিপুর গ্রামের মোরজেম আলীর ছেলে হযরত আলী, পিরিজপুর এলাকার তজিমউদ্দিনের ছেলে লালচান, দাদিপুর গ্রামের হাবিব আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, কাদিপুর গ্রামের ওহিদুলের ছেলে বাদশা, পিরিজপুর গ্রামের দিলশাদ আলীর ছেলে মিজান, দিয়াড় মহব্বতপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে মামুন ইসলাম, ফরাদপুর গ্রামের আলিমুদ্দিনের ছেলে টুটুল, হরিশংকরপুর গ্রামের আইজুদ্দিনের ছেলে রেজাউল একই গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে আওরঙ্গজেব ফটিক, দিয়াড় মহব্বত পুর গ্রামের খোরশেদ আলীর ছেলে মাসুম রেজা, পাচগাছি গ্রামের মৃত কাসেম আলীর ছেলে মীর হোসেন, নাজিরপুর কুচিয়া পাড়া গ্রামের সেন্টু মিয়ার ছেলে শিন্টু সহ আরো ৬ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান নির্বাহী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী তাদের অপরাধের ধরন বিবেচনায় বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।
যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন গোদাগাড়ী সেলিম সহকারী পুলিশ সুপার মীর্জা আব্দুস ছালাম, গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আতিকুর রহমান এবং প্রেমতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক এস. এম. মাকছুদুর রহমান।
গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি আতিকুর রহমান জানান, সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে এই অভিযান।
অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান, সমাজ থেকে মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধ দমনে পুলিশের এ ধরনের তৎপরতা এলাকায় জনমনে স্বস্তি এনেছে।