, , ।
নিয়ামতপুর প্রতিনিধি: নওগাঁর নিয়ামতপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে নিহত রায়হান আলীর লাশ ১৩৩দিন পর কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে দাফনের ১৩৩ দিন পর ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ উত্তোলন করে নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
রোববার বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পানিশাইল গ্রামের তাদের পারিবারিক কবরস্থান থেকে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়।
এসময় নিয়ামতপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল করিম মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য এবং নিহতের পরিবারের লোকজন উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন করে মর্গে প্রেরণ করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা মামুন সরদার গত ১০ অক্টোবর ঢাকা মেট্রোপলিটনের আওতাধীন গাছা থানায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৬৭ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নিহতের পরিবার জানায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ২০ জুলাই দুপুরে সড়কে গুলিবিদ্ধ হন রায়হান আলী। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সরকারি শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গাজীপুর নিয়ে যায়। সেখানে রায়হান আলীর মৃত্যু হয়। সেদিন রাতেই মরদেহ নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার পানিশাইল গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সে সময় পরিস্থিতি বিবেচনায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই রায়হান আলীর মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
লেবু মিয়া জানান, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ গাছা থানার অন্তর্গত কলমেশ্বর বোর্ড বাজার বেলমন্ট টেইলার্সের সামনে ঢাকা ময়মনসিংহ হাইওয়ে রোড পাকা রান্তার উপর লাশ পাওয়া যায়।
মামলার প্রেক্ষিতে আদালত লাশ ময়নাতদন্তের আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশে ন্যায় বিচারের স্বার্থে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উত্তোলন করে নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।