, , ।
ঈশ্বরদী প্রতিনিধি: পাবনার ঈশ্বরদীতে ৫১তম গ্রীষ্মকালীন খেলাধুলা প্রতিযোগিতার কাবাডির ফাইনাল খেলায় দুই স্কুলের খেলোয়াড় ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক মারামারির ঘটনায় ঈশ্বরদী উপজেলা প্রশাসন কার্যালয়ে হামলা, ভাংচুর ও অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। এতে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের সামনে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
গত মঙ্গলবার দুপুরে এসব ঘটনা ঘটে। এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, স্কুল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ পাঁচ-ছয়জন আহত হয়েছেন। প্রায় ২ ঘন্টা পর আইশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
ঈশ্বরদী থানা পুলিশ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের সামনে থেকে ছোরাসহ এক বহিরাগতকে আটক করেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুবীর কুমার দাশ আহত হয়েছেন।
এ ছাড়াও আহত হয়েছেন ছলিমপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর মধ্যপাড়ার সালাম সরদারের ছেলে সালমান সরদার (১৭)। একই ইউনিয়নের ভাড়ইমারী গ্রামের মজিবর রহমানে ছেলে নাঈম ইসলাম (১৭)। এরা দুজনই ঈশ্বরদী উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের রিয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র।
উপজেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ৫১তম গ্রীষ্মকালীন খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার কাবাডি খেলার সময় উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের সাঁড়া ঝাউদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও সলিমপুর ইউনিয়নের রিয়াজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় নামে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় মারামারি শুরু হয়। এক পর্যায়ে ইউএনওসহ বিভিন্ন কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। এ সময় ইউএনও সুবীর কুমার দাশ আহত হন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে।
ঈশ্বরদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মরিুরুল ইসলাম জানান, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বহিরাগতরা যুক্ত হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হয়। তিনি জানান, ছোরাসহ এক যুবককে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুবীর কুমার দাশ জানান, ঘটনাটি খুবই ন্যাক্কারজনক। তদন্ত সাপেক্ষে অবশ্যই দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।