, , ।
রাসেল সরকার, মোহনপুর :
তৃতীয় ধাপে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন গত ২৯ মে অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ হাবিবা মোট ভোটের এক তৃতীয়াংশ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। মোট প্রদত্ত বৈধ ৬৮,০৯১ ভোটের ৪২,৯৮৪ ভোট পেয়েছেন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন হেভিওয়েট আরো চার জন।
তারা সবাই মিলে পেয়েছেন ২৫,১০৭ ভোট। সেক্ষেত্রে শেখ হাবিবা ছাড়া বাকি চারজনই তাদের জামানত হারালেন। জনপ্রিয়তায় শেখ হাবিবা এতটাই এগিয়েছেন যা রীতিমত অবাক করেছে সবাইকে। যদিও তার জনপ্রিয়তার বিষয়টি ২৯ মে নির্বাচনের আগেই বোঝা যাচ্ছিলো। দলমত নির্বিশেষে শ্রমজীবী মানুষ থেকে সকল শ্রেণির পেশাজীবি মানুষ স্বতস্ফুর্ত ভোট দিয়েছেন শেখ হাবিবাকে। অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জানা গেছে, শেখ হাবিবা ছিলেন ঘাষিগ্রাম ইউপির সাবেক সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্য। তিনি উপজেলা কৃষক লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক। দরিদ্র পরিবারের মেয়ে তিনি। মানবিক দিক বিবেচনায় তাকে দলমত নির্বিশেষে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা।
শেখ হাবিবার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সানজিদা রহমান প্রজাপতি ভোট পেয়েছেন ৬,০০০। আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য রাবেয়া খাতুন কলস প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ৫৮৬৪। উপজেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সভাপতি ডলি আকতার ফুটবল প্রতীকে ৮৩১৪ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন। এছাড়াও সেলাইমেশিন প্রতীকের প্রার্থী শ্রীমতী পলিরানি ভোট পেয়েছেন ৩৯৩১ টি। এরা সবাই শেখ হাবিবার কাছে জামানত হরিয়েছেন। মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের ১৫ শতাংশ ভোট এই চার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কেউ পাননি। প্রদত্ত ভোটের ১৫ শতাংশ ভোট অর্থাৎ প্রত্যেক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে ১০ হাজারের উপরে ভোট পেতে হতো। কিš‘ তারা কেউ সমপরিমাণ ভোট পাননি।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাবিবার ঝুলিতেই পড়েছে প্রদত্ত ভোটের ৫৯.১৫ শতাংশ ভোট। মোট প্রদত্ত বৈধ ভোট ৬৮০৯১ টি। মোট প্রদত্ত ভোট ৭১৭৩২টি। এ উপজেলায় মোট ভোটার ১,৪৫,৫৪৩ টি। সেক্ষেত্রে ভোট পড়েছে ৪৯.২৯%।
সানশাইন / শামি